
নিজস্ব সংবাদদাতা, হুগলি: শতবর্ষ পার করা সুপ্রাচীন গ্রন্থাগারগুলির মধ্যে অন্যতম এক গ্রন্থাগার হুগলি জেলার শেওড়াফুলির শেওড়াফুলি নগর গ্রন্থাগার বা দি ইয়ং মেন্স অ্যাসোশিয়েশন যার আগের নাম ছিল শরত্ লাইব্রেরী। করোনাকালীন পরিস্থিতি কাটিয়ে ধীরে ধীরে ছন্দে ফিরিয়ে নিয়ে আসা হচ্ছে এই গ্রন্থাগারটিকে। সম্প্রতি হুগলির অন্যতম এই গ্রন্থাগারটিকে নব পর্যায়ে শুরুর প্রস্তুতি প্রসঙ্গে শেওড়াফুলির সত্যজিৎ রায় সভাকক্ষে আয়োজন করা হয়েছিল এক আলোচনা সভার। এদিনের আলোচনা সভার মুখ্য বিষয় ছিল আপামর জনগণকে বিশেষ করে আগামীর মহীরুহদের অর্থাত্ ছাত্র-ছাত্রীদের গ্রন্থাগারমুখী করা এবং সেই উদ্দেশ্যে নেওয়া হচ্ছে নানা উদ্যোগ।

সভায় উপস্থিত ভারপ্রাপ্ত গ্রন্থাগারিক আব্দুল গফফার ও সভাপতি দেবাশিস সাহা এই গ্রন্থাগারের কাজের অগ্রগতি ও আগামীর রূপরেখা বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করেন। সভায় উপস্থিত হয়ে স্থানীয় চাঁপদানীর বিধায়ক অরিন্দম গুঁইন ও বৈদ্যবাটি পৌরসভার পুরপ্রধান পিন্টু মাহাতো এই গ্রন্থাগারের উন্নতিতে তাঁদের সকল রকম সহযোগীতার আশ্বাস দেন।

এদিনের আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন তারাপদ পাঁজা, শ্রী রিন্টু রায়চৌধুরী, সবিতা দেবী, মৈত্রেয়ী চ্যাটার্জি, নবনীতা দেবী, গায়ত্রী রায়, কানু ভৌমিক, জয়ন্ত পাঠক,প্রাক্তন প্রধান শিক্ষিকা শিবানী সেনগুপ্ত সহ স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। বৈদ্যবাটি – শেওড়াফুলি এলাকার বই প্রেমী জনগণ এই গ্রন্থাগারের নবরুপে নতুন পথ চলার অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় রয়েছেন।

