সাক্ষী ছিলাম মনোজ্ঞ এক সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার

স্বরূপম চক্রবর্তী: মে মাসের  শেষ লগ্নের  এক সন্ধ্যায় হাজির হতে হয়েছিল হুগলি জেলার অন্যতম প্রাচীন শহর ও জেলার অন্যতম সাংস্কৃতিক প্রাণকেন্দ্র বৈদ্যবাটীতে। বৈদ্যবাটী শহরের বুকে বহু বছর ধরে যে মানুষটি বঙ্গ সংস্কৃতির আনাচে কানাচে বিচরণ করছে মূলত তাঁরই সাদর আমন্ত্রণ রক্ষায় এই শহরের সুবিখ্যাত জোড়াঅশত্বতলার জয়ন্তী ভবনে। হাজির হয়ে প্রত্যাশানুযায়ী শহরের বহু গুণী মানুষদের দেখা মিললো।

প্রথমেই পেলাম আমার একজন খুব কাছের মানুষ গীতিকার, কবি ও লেখক জয়ন্ত পাঠককে। এরপর একে একে রতন ওরফে দীপঙ্কর ঘোষ, আবৃত্তিকার পিয়ালী ঘোষ সমেত অনেকের সঙ্গেই দেখার সৌভাগ্য হলো। আসলে এই শহরের মায়া কাটিয়েছি অনেক বছর। তবুও কিছু মানুষ আছেন যাঁদের আমন্ত্রণে বারে বারেই আসতে হয় ও আসতে হবেই এই শহরে।

সাক্ষী হলাম অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক ও আমন্ত্রণকর্তা পার্থপ্রতিম মজুমদারের সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র নয়নের ছাত্র-ছাত্রীদের ও আমন্ত্রিত শিল্পীদের নিবেদিত কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্মরণে পরিবেশিত আবৃত্তি, গান, নৃত্য ও নয়নের ছাত্র ছাত্রীদের অভিনীত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিলসুজের ওপর পেতলের প্রদীপ অবলম্বনে পার্থ প্রতীম মজুমদার রচিত নাটক রোঘো চরিতের মঞ্চ অভিনয়ের।

এদিনের সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় উপরি পাওনা ছিল বাচিক শিল্পী পার্থপ্রতিম মজুমদার, পিয়ালী ঘোষ ও দীপঙ্কর বেলেল অভিনীত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা বাঁশী কবিতার এক অনন্য বাচিক নাট্যরূপ পার্থপ্রতিম মজুমদার রচিত বহি চলে ধলেশ্বরী। ফিরে এলাম আরও ভালো আরও মনোজ্ঞ কিছু শোনা ও দেখার একরাশ আশা আকাঙ্খা নিয়ে।

error: Content is protected !!

Discover more from Sambad Pratikhan

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading

Powered by Joinchat