দেশবাসীর মঙ্গল কামনায় তিনদিনের রুদ্র মহাযজ্ঞের আয়োজন মন্ত্রী বেচারাম মান্নার

নিজস্ব সংবাদদাতা, হুগলি: পুরাননুসারে রুদ্র বলতে ভগবান শিবের ভয়ঙ্কর রূপকেই বোঝায়। দেবাদিদেব মহাদেবকে সন্তুষ্ট করা ও তাঁর উপাসনার জন্য সমস্ত মহাযজ্ঞের মধ্যে সবচেয়ে পবিত্র এবং শক্তিশালী রুদ্র যজ্ঞ অনুষ্ঠিত করা হয়। ভগবান শিবের রূপ রুদ্র, যা অজ্ঞতা, দুঃখ এবং পাপ দূর করে।

এমনই এক তিনদিন ব্যাপী শ্রী শ্রী ১০৮ রুদ্র মহাযজ্ঞের আয়োজন করেছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী বেচারাম মান্না তাঁর বাসভবন সংলগ্ন একটি ইংরাজী মাধ্যম বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে। তারকেশ্বর মন্দিরের প্রধান মোহন্ত মহারাজ শ্রী শ্রীমদ্দন্ডিস্বামী সুরেশ্বরাশ্রম তিনদিনের এই ১০৮রুদ্র মহাযজ্ঞের পৌরহিত্য করেন। যজ্ঞের প্রথম দিন অর্থাত্‍ ৩০ মার্চ, ২০২৫ এর সকালে স্থানীয় এলাকার ১০৮ জন মহিলা সিঙ্গুর রতনপুরের বাবুপুকুর থেকে ১০৮ টি কলসে জল ভরে শোভাযাত্রা সহকারে যজ্ঞস্থলে নিয়ে আসেন। এরপর মন্ত্রী বেচারাম মান্না ও টানে স্ত্রী হরিপালের বিধায়িকা করবী মান্না তারকেশ্বর মন্দিরের প্রধান মোহন্ত মহারাজ শ্রী শ্রীমদ্দন্ডিস্বামী সুরেশ্বরাশ্রম মহারাজের অনুমতিক্রমে যজ্ঞের সংকল্পে বসেন। শুরু হয় তিন দিনের এই মহা যজ্ঞের অনুষ্ঠান।

রাজ্যের মন্ত্রী বেচারাম মান্নার আয়োজনে এই ১০৮ রুদ্র মহাযজ্ঞ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের ও জেলার সকল স্তরের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বগন । উপস্থিত ছিলেন হুগলি জেলা শাসক মুক্তা আর্য, রাজ্যের মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন, সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিধায়ক অরিন্দম গুঁইন, বিধায়ক ডাঃ সুদীপ্ত রায় সহ জেলা ও রাজ্যের অধিকাংশ তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃবৃন্দ ও কর্মীবৃন্দ। মন্ত্রী বেচারাম মান্না ৩০ মার্চ থেকে ১ এপ্রিল, ২০২৫ এই তিনদিন ধরে চলা এই ১০৮ রুদ্র মহাযজ্ঞ প্রসঙ্গে বলেন, সারা বিশ্বের মঙ্গল কামনায় ও সকল জনগণের মধ্যে শান্তি ও তাঁদের শুভার্থে এই মহাযজ্ঞের আয়োজন। তিনি বলেন সকল দেবের দেব হলেন দেবাদিদেব মহাদেব। সেই দেবাদিদেব মহাদেবের উদ্দেশ্যে আয়োজিত এই রুদ্র মহাযজ্ঞের আয়োজন খুবই পবিত্র সুযোগ, করফন এর ফলে সকলের জন্য পুণ্য লাভ সম্ভব হয়।

error: Content is protected !!

Discover more from Sambad Pratikhan

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading