
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা: কবিতা বলা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ১৪ জুলাই শব্দবিতান ও গপ্পোবাগীশ অনেকগুলো বই প্রকাশ করল। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য দুটি কবিতার বই অশোক মুখোপাধ্যায়ের কবিতার রূপরেখা এবং আরণ্যক বসুর ভাষা জননীর কান্না। অশোক মুখোপাধ্যায় আরণ্যক বসু কবি অসীম মজুমদার প্রকাশক নিগমানন্দ মণ্ডল উপস্থিত ছিলেন।

শব্দবিতানের প্রকাশক সুবিদিতা কুণ্ডু গুছাইত জানান,’ ছোট প্রকাশনা সংস্থা হলেও ভালো কবিতাকে তাঁরা সবসময় অগ্রাধিকার দেন। কবি অশোক মুখোপাধ্যায় এবং কবি আরণ্যক বসু এই সংস্থার একদম ঘরের মানুষ শুধু নন তাঁদের লেখনি আর মননকে আমি কুর্ণিশ করি। অশোকবাবু তো একজন স্বভাবকবি।‘ গপ্পোবাগীশের কর্ণধার বৈদুর্য পাড়িয়া গত তিন বছর ধরে প্রকাশনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রায় দুশো বই করেছেন।

বক্তব্য রাখতে গিয়ে কবি আরণ্যক বসু বলেন, ‘দুই প্রকাশকই আমার খুব পরিচিত এবং তারা দুজনেই খুব ভালো মানুষ।‘ কবি অসীম মজুমদার সুললিত কন্ঠে বলেন, ‘মায়ের ভাষাকে বাঁচাতে না পারলে কাদের জন্য হবে গল্প লেখা কবিতা লেখা!’ আনন্দ প্রকাশনীর নিগমানন্দ মণ্ডল জানান, ‘বাংলা ভাষা ক্রমশ যে পর্যায়ে যাচ্ছে তাকে রুখে দেওয়া খুব প্রয়োজন।‘ এঁদের বক্তব্যের রেশ টেনেই কবি অশোক মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘বাঙালি মায়েরা যদি বাংলা ভাষাকে বাঁচাতে সচেষ্ট না হন তাহলে মায়ের ভাষা কিছু দিন পর অন্তঃসলিলার মতো প্রবাহিত হবে।’ শ্রী মুখোপাধ্যায় তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে বলেন, ‘সুবিদিতা এবং বৈদুর্য বাংলাভাষাকে বাঁচাতে যে কঠোর পরিশ্রম করছেন তা এক কথায় চিরস্মরণীয়।’

এদিন বই প্রকাশের পাশাপাশি স্বরচিত কবিতা পাঠ যেমন ছিল তেমনি ছিল গান আবৃত্তি কবিতা আলেখ্য। জমজমাট এই অনুষ্ঠানের সাক্ষী রইল কলকাতার গোয়াবাগান অঞ্চল।

