
নিজস্ব সংবাদদাতা, হুগলি: বিশ্বজুড়ে দ্রুত বাড়ছে ক্যানসার আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা।বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিবছর কয়েক লক্ষ নতুন রোগী এই নীরব শত্রুর আক্রমণে আক্রান্ত হচ্ছেন। এই রোগকে রোধ করতে প্রথমেই প্রয়োজন জনগণকে এই রোগ সম্পর্কে সঠিক ভাবে সচেতন করে তোলা। ক্যানসার রোধ করতে ও এই বিষয়ে সচেতন করে তুলতে আজ হুগলির শ্রীরামপুরে সুরক্ষা ক্লিনিক এর পক্ষ থেকে আয়োজন করা হয়েছিল এক সাংবাদিক সম্মেলনের। সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ডাঃ বরুণ কুমার পাল ও ডাঃ দীপ্তাংশু দাস।

ডাঃ দাস বলেন প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত হলে ও সঠিক চিকিৎসায় অনেক ক্যানসারই নিয়ন্ত্রণযোগ্য বা নিরাময়যোগ্য। তাই ক্যানসার প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনিও আরও বলেন, অকারণে ওজন কমে যাওয়া, দীর্ঘদিনের কাশি বা ব্যথা, শরীরের কোথাও অস্বাভাবিক গাঁট, অস্বাভাবিক রক্তপাত, তিল বা দাগের রঙ বা আকৃতি পরিবর্তন—এসব উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। তবে এসব উপসর্গ থাকলেই ক্যানসার হবে, এটা সঠিক নয়, পরীক্ষা করলেই প্রকৃত অবস্থা জানা যায়।

অকারণে ওজন কমে যাওয়া, দীর্ঘদিনের কাশি বা ব্যথা, শরীরের কোথাও অস্বাভাবিক গাঁট, অস্বাভাবিক রক্তপাত, তিল বা দাগের রঙ-আকৃতি পরিবর্তন—এসব উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। তবে এসব উপসর্গ থাকলেই ক্যানসার হবে—এ ধারণাও সঠিক নয়; পরীক্ষা করলেই প্রকৃত অবস্থা জানা যায়। দাস বলেন প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে আধুনিক অ্যালোপ্যাথ চিকিত্সায় এই রোগ নিরাময় সম্ভব, যেটি চিকিত্সা বিজ্ঞানের অন্য শাখার পক্ষে সম্ভব নয়।

ক্যানসার এর স্ক্রিনিং যে কোন সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে করা সম্ভব হয় বলে জানান ডাঃ বরুণ কুমার পাল। ভয় না পেয়ে এই রোগ সম্পর্কে সঠিক ভাবে সচেতনতা ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা এই রোগকে সহজেই নিরাময় করা সম্ভব বলে এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে জানান বিশেষজ্ঞ ডাক্তারবাবুরা। কাজেই লজ্জা, ভুল ধারণা ও কুসংস্কার ত্যাগ করে, রোগকে না লুকিয়ে অভিজ্ঞ ডাক্তারবাবুদের পরামর্শ সময়মত নেওয়া একান্ত প্রয়োজন।

