
সুফল তর্কালঙ্কার, হুগলি: এই মূহুর্তে যখন আমাদের সংস্কৃতি বলা যায় কিছুটা বিপন্ন, আমাদের সংস্কৃতিতে যখন ভিন্ন সংস্কৃতির প্রভাব সদা দেখতে পাওয়া যাচ্ছে, সেই সময়ে শুধুমাত্র ভারতীয় শাস্ত্রীয় নৃত্যকলা প্রদর্শনের মাধ্যমে উপস্থিত সকলকে যে মোহিত করে রাখা যায়, তার প্রমাণ পাওয়া গেল গত ১৭ মে, ২০২৫এর সন্ধ্যায় হুগলি জেলার মিনি ভারত হিসেবে খ্যাত রিষড়ার রবীন্দ্র ভবনে। হুগলি জেলার অন্যতম সুপ্রাচীন শহর বৈদ্যবাটিতে জন্ম হয় যে সংস্থার সেই গান্ধর্বীর সকল শিক্ষাত্রীরা তাঁদের পরিচালকের নিপুণ পরিচালনার দৃষ্টান্ত তুলে ধরলো এদিন।

শাস্ত্রীয় নৃত্য শিল্পী মৌসুমী শীলের সুযোগ্য পরিচালনা ও লাইভ মিউজিক এর সঙ্গে ভরতনাট্যম নৃত্য পরিবেশনের যে প্রচেষ্টা তা স্বার্থক রূপ লাভ করেছিল এদিনের সন্ধ্যায়। ‘সুধা’ শীর্ষক ভরতনাট্যমের এই অনুষ্ঠানে লাইভ মিউজিক উপস্থাপনে উপস্থিত ছিলেন আকাশ মুখার্জী কন্ঠে, বাঁশিতে ঋক মুখার্জী, মৃদঙ্গম এ চন্দন দে এবং নাট্টুভঙ্গম এ ছিলেন নৃত্যগুরু রাজদীপ ব্যানার্জী। কঠোর অধ্যবসায় এবং সঠিক নৃত্য গুরুর নির্দেশনা ভরতনাট্যমের মত শাস্ত্রীয় নৃত্যের অনুষ্ঠানও সাধারণ মানুষের মনে যে দাগ কাটতে সক্ষম হয় তার প্রমাণ পাওয়া গেল এদিন।

গান্ধর্বীর এদিনের অনুষ্ঠান সাজানো হয়েছিল দুটি ভাগে। প্রথম ভাগে ছিল ভরতনাট্যমের পরিবেশনা অপরদিকে অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় ভাগে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথকে শ্রদ্ধা জানাতে শাস্ত্রীয় নৃত্যের আঙ্গিকে রবীন্দ্র গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন। অনুষ্ঠানে ভরতনাট্যম শিল্পী মৌসুমী শীলের একক নৃত্য পরিবেশন ছিল এককথায় অনবদ্য।

