
নিজস্ব সংবাদদাতা, হুগলি: সময়টা উত্সবের। এই মূহুর্তে শুরু হয়েছে বিশ্ববন্দিত চন্দননগরের জগদ্ধাত্রীর উপাসনা। এর সঙ্গে সঙ্গে আজ থেকে শুরু হলো হিন্দীভাষীদের প্রধান উত্সব ছট পুজো। আজ রাজ্যের মুখমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেস্টিং এর সুভাষ চন্দ্র স্পোর্টিং ক্লাবের মঞ্চ থেকে উদ্বোধন করেন ছট পুজোর। এর সঙ্গে সঙ্গে তিনি সারা রাজ্যের বেশ কয়েকটি জায়গায় ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেন এই পুজোর।

হুগলি জেলার রিষড়া প্রেমমন্দির ঘটে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হুগলির জেলাশাসক মুক্তা আর্য, চন্দননগরের পুলিশ কমিশনার অমিত পি জাভালগি সহ শ্রীরামপুর লোকসভার সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, ওই বিধানসভার বিধায়ক ডাঃ সুদীপ্ত রায় সহ জেলা প্রশাসনের ও চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা। উপস্থিত ছিলেন কোন্নগর পৌরসভা, শ্রীরামপুর পৌরসভা, ডানকুনি পৌরসভার পৌরপ্রধানগণ যথাক্রমে স্বপন দাস, গিরিধারী সাহা ও হাসিনা শবনম।

রিষড়া পৌরসভার পৌরপ্রধান বিজয় সাগর মিশ্র’র ব্যবস্থাপনায় এই অনুস্থানকে সার্থক করে তুলতে উপস্থিত ছিলেন ওই পৌরসভার উপ-পৌরপ্রধান জাহিদ হাসান খান সমেত সকল পৌরসদস্যবৃন্দ। এদিন এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, যাঁরা এই বাংলায় বাস করে তাঁরা বাংলার নানা উত্সবে সামিল হয়, যাঁদের মস্তিষ্ক অপরিণত তাঁরাই এই বাংলায় বলেছিলেন উত্সবে ফিরছি না। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি এই রাজ্যের মানুষের যে অগাধ বিশ্বাস ও ভরসা রয়েছে তার প্রমাণ রাজ্যের মানুষের এইভাবে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে উত্সবে অংশগ্রহণ।

রিষড়া পৌরসভার পৌরপ্রধান বিজয় সাগর মিশ্র জানান, রাজ্যের মানবিক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবসময়ই সদা তত্পর রাজ্যের মানুষের কল্যাণের জন্য। রিষড়ার ছটপুজো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রিষড়া পৌরসভা সকল পূর্ণার্থীদের সুবিধার জন্য স্বাস্থ্য সহ জল পরিষেবার সকল ব্যবস্থা করেছে। এর সঙ্গে সঙ্গে পুজোর সুবিধার জন্য এই পৌরসভার অন্তর্গত সকল গঙ্গার ঘাটগুলিকে পরিষ্কার ও আলোকমালায় সাজিয়ে তোলাও হয়েছে। এদিন সন্ধ্যায় পৌরপ্রধান বিজয় সাগর মিশ্র, উপ-পৌরপ্রধান জাহিদ হাসান খান সহ এই পৌরসভার পৌরপ্রধান পারিষদবর্গ গঙ্গাবক্ষে ছটপুজোর সকল ব্যবস্থা ক্ষতিয়ে দেখেন। তিনি ছট মায়ের কাছে প্রার্থনা করে বলেন রাজ্যের সকল মানুষ যেন শান্তিতে বসবাস করেন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ভিডিও থেকে বাকি ছবি নিজস্ব

