
নিজস্ব সংবাদদাতা, হুগলি: ঐতিহ্যমণ্ডিত জগদ্ধাত্রী পুজোয় ইতিমধ্যেই মেতে উঠেছে হুগলির চন্দননগর। আর এই পুজোকে সার্থক করে তুলতে বদ্ধপরিকর চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট। প্রতি বছরের মত এই বছরও চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হলো জগদ্ধাত্রী পুজো গাইড ম্যাপ। উদ্বোধন করলেন চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের পুলিশ কমিশনার অমিত পি জাভালগি, রাজ্যের মন্ত্র ও চন্দননগরের বিধায়ক ইন্দ্রনীল সেন, চন্দননগরের মহানাগরিক রাম চক্রবর্তী, হুগলির জেলাশাসক মুক্তা আর্য।

এছাড়াও এদিন পুজোর দিনগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে অতিরিক্ত নজরদারী ক্যামেরার উদ্বোধন করেন রাজ্যের ডিজিপি আইজিপি রাজীব কুমার। এদিনের মঞ্চ থেকে চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের পক্ষ থেকে শিশুদের ও বয়স্ক নাগরিকদের পুজো দেখার সুবিধার জন্য বিশেষ পরিচয় পত্রের উদ্বোধন করা হয়। হুগলির জেলাশাসক মুক্তা আর্য সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে এই বছরের চন্দননগরের এই উত্সবকে শান্তিপূর্ণভাবে পালনের জন্য আবেদন রাখেন। রাজ্যের মন্ত্রী চন্দননগরের বিধায়ক ইন্দ্রনীল সেন বলেন প্রতিবছর এখনকার প্রশাসন অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে চন্দননগরের এই জগদ্ধাত্রী উত্সবকে সফল করে তোলেন, পুজোর দিনগুলো ও বিশেষ করে নিরঞ্জনের দিনটিতেও প্রশাসন সদা সজাগ থাকে।

চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের পুলিশ কমিশনার অমিত পি জাভালগি বলেন, চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজোর এক বিশেষ বৈশিষ্ট আছে, চন্দননগর ও ভদ্রেশ্বরের জগদ্ধাত্রী পুজোয় এই বছর নিরাপত্তা ঠিক রাখতে ২৫০০ পুলিশ থাকছেন। তিনি আরও বলেন নজরদারীর জন্য নজরদারী ক্যামেরার সংখ্যা এবার অনেক বাড়ানো হয়েছে। এছাড়াও থাকছে ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারীর ব্যবস্থা। তিনি সকলের কাছে আবেদন রাখেন খুব দরকার না পড়লে যেন কেউ অযথা গাড়ি ব্যবহার না করেন।

উল্লেখ করা যায় এদিনের অনুষ্ঠান থেকে চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের পক্ষ থেকে এই কমিশনারেটের অন্তর্ভূক্ত দুর্গাপূজা কমিটিগুলির মধ্যে সেভ ড্রাইভ সেভ লাইফ প্রচারে সেরার সেরা তিনটি পুজোকমিটির হাতে পুরস্কার তুলে দেন পুলিশ কমিশনার অমিত পি জাভালগি, জেলাশাসক মুক্তা আর্য, মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন, মহানাগরিক রাম চক্রবর্তী প্রমুখরা।

