অলিম্পিকের ইতিহাসে প্রথমবার বাজলো এই দেশগুলির জাতীয় সঙ্গীত

সদ্য সমাপ্ত প্যারিস অলিম্পিকে এই প্রথম  বাজলো এই চারটি দেশের জাতীয় সঙ্গীত। এই নিয়েই লিখলেন কিশলয় মুখোপাধ্যায়

 

‘হিমনো ন্যাশানাল ডে গুয়াতেমালা’, ‘ ফটশে লেনো লা রোনা’, আয়াল অফ বিউটি আয়াল অফ স্প্লেন্ডার’, ‘সনস্ অ্যাণ্ড ডটার্স অফ সেন্ট লুসিয়া’। চারটি দেশের জাতীয় সঙ্গীত। গুয়াতেমালা, বতসোয়ানা, ডমিনিকা আর সেন্ট লুসিয়া। অলিম্পিকের ইতিহাসে এই প্রথম এই 4টি দেশের জাতীয় সঙ্গীত শোনা গেল। অলিম্পিকে যে বা যারা সোনা পায় পদক অনুষ্ঠানে সেই দেশের জাতীয় সঙ্গীত শোনা যায়।

মধ্য আমেরিকায় অবস্থিত গুয়াতেমালা দেশটি ১৯৫২ সাল থেকে অলিম্পিকে অংশগ্রহণ করছে। ২৯ বছরের মহিলা শুটার অ্যাড্রিনা অলিভিয়া দেশের প্রথম সোনার পদকটি নিয়ে এলেন। তিনি মহিলা ট্র্যাপ শুটিং বিভাগে অলিম্পিক রেকর্ড করেছেন।

 

আফ্রিকার দক্ষিণদিকে অবস্থিত বতসোয়ানা। ‘ফটশে লেনো লা রোনা’ অর্থাৎ ধন্য হোক এই  পবিত্র ভূমি। লেসটাইল টেবেগো পুরুষ ২০০ মিটার দৌড় প্রতিযোগিতায় দেশের জন্য প্রথম সোনা নিয়ে এলেন। তিনি সময় নেন ১৯.৪৬ সেকেণ্ড। বতসোয়ানা অলিম্পিকে এই প্রথম পদক পেল, একটি সোনা অপরটি  রূপো। রূপো এসেছে পুরুষ ৪০০ মিটার রিলেতে। এখানেও ৪ জনের মধ্যে টেবেগো রয়েছেন।

ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জের একটি দেশ ডমিনিকা। মহিলা ট্রিপিল জাম্প বিভাগে সোনা জিতেছেন এই দেশের অ্যাথলেটিকস থিয়া নোয়েলিভা লাফন্ড। সেই দিন খারাপ আবহাওয়ার মধ্যেও তিনি ১৫.০২ মিটার লাফিয়ে সোনা জেতেন।

সেন্ট লুসিয়া দেশটিও ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত। প্যারিস অলিম্পিকে দ্রুততমা হলেন এই দেশেরই জুলিয়েন অ্যালফ্রেড। তিনি ১০.৭২ সেকেণ্ড সময় নিয়েছেন। ২০০ মিটার দৌড়ে ২২.০৮ সেকেন্ড সময় নিয়ে রূপো পেয়েছেন। ১৯৯৬ সাল থেকে যোগ দেওয়া এই দেশটি অলিম্পিকে এই প্রথম পদক পেল। একটি সোনা একটি রূপো। দুটো পদকই এল এই দেশের সোনার মেয়ে জুলিয়েন অ্যালফ্রেডের হাত ধরে।

অ্যাড্রিনা অলিভিয়া, লেসটাইল টেবেগো, থিয়া লাফন্ড আর জুলিয়েন অ্যালফ্রেড তাঁর দেশকে গর্বিত করলেন আর প্যারিস অলিম্পিক ২০২৪ এর আসরে সারা বিশ্ব শুনতে পেল তাঁদের জাতীয় সঙ্গীত।

error: Content is protected !!

Discover more from Sambad Pratikhan

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading