বিশ্ব মধু মক্ষিকা বা মৌমাছি দিবস

আজ ২০ মে, সারা বিশ্বে আজকের দিনটি পালন করা হয় বিশ্ব মৌমাছি দিবস হিসেবেবিশ্ব মৌমাছি দিবসের বিষয়ে লিখলেন সাংবাদিক কিশলয় মুখোপাধ্যায়

বাংলার কীট পতঙ্গ বইয়ে বিজ্ঞানী গোপাল ভট্টাচার্য  মৌমাছির জীবন রহস্য অধ্যায় লিখেছেন যে একেকটি চাকে ৩০-৪০ হাজার মৌমাছি বাস করলেও পরস্পরের সঙ্গে কখনও ঝগড়াঝাঁটি ঘটতে দেখা যায়না। অন্য চাকে গিয়ে মারামারি করে। এরকম আরো তথ্য লিখেছেন। বাংলা ভাষায় এখনও এই বইটির গুরুত্ব রয়েছে। আজ বিশ্ব মৌমাছি দিবস। স্লোভেনিয়া প্রস্তাব ইউনেস্কো অনুমোদন করে ২০১৭ সালে। আর ২০ মে বিশ্ব মৌমাছি দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। ২০২৩ সালে থিম হল পরাগরেণু বান্ধব কৃষি উৎপাদনে মৌমাছির অবদান।

১৭৩৪ সালের ২০  মে মৌমাছি পালনের প্রবর্তক আন্তন জানসা (১৭৩৪-১৭৭৩) স্লোভেনিয়ার ব্রেজনিকাতে জন্ম গ্রহণ করেন। অন্য মত তাঁকে এই দিন ব্যাপ্টিসিম করানো হয়েছিল। তিনি চিত্রকলা নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। তবে তাঁর উৎসাহ ছিল মৌমাছি পালনে। তিনি এই পেশাতেই এগিয়ে যান। ১৭৬৯ সালে তিনি পূর্ণ সময়ের মৌমাছি পালক হিসেবে নিযুক্ত হন। তিনি এই বিষয়ে জার্মান ভাষায় দুটো বই লেখেন। ডিসকাস অন বি কিপিং এবং এ ফুল গাইড টু বি বি কিপিং।

মৌমাছি ও প্রজাপতি সবচেয়ে বেশি বিপন্ন। বিশ্ব সাহিত্য, সিনেমায়, শিশু সাহিত্যে ইংরাজি রাইমসে বারে বারে মৌমাছি নিয়ে লেখা হয়েছে। সাহিত্যিক নবকৃষ্ণ ভট্টাচার্য (১৮৫৯-১৯৩৯) মৌমাছি নিয়ে কবিতা লিখেছেন।

মৌমাছি মৌমাছি কোথা যাও নাচি নাচি

দাঁড়াওনা একবার ভাই।

ঐ ফুলে ফুটে বনে, যাই মধু আহরণে

দাঁড়াবার সময় ত নাই।

error: Content is protected !!

Discover more from Sambad Pratikhan

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading