

পথিক মিত্র, হাওড়া: ভারতের জাতীয় পতাকাকে অন্তরের শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং সমাজের সকল স্তরের মানমুসদের আমাদের দেশের জাতীয় পতাকার মর্যাদা সম্পর্কে সচেতন করে তুলতে যে মানুষটি বছরের পর বছর ধরে নিরলস চেষ্টা করে যাচ্ছেন সেই মানুষটি হলেন হাওড়া জেলার বালী নিশ্চিন্দার বাসিন্দা প্রিয়রঞ্জন সরকার। যাঁর জীবনের এবং যাঁর কাজের অন্যতম প্রধান প্রেরণা মা। আর সেখান থেকেই প্রিয়রঞ্জনের সঙ্গে জোট বেঁধে এক ঝাঁক তরুণ-তরুণীর মিলিত প্রচেষ্টায় জন্ম নিয়েছিল ‘মায়ের প্রেরণা’ নামক এক সংগঠন। সেই সংগঠন আজ সমাজের হিতকর কাজের মধ্য দিয়ে সমাজের বুকে নিজেদের মহীরুহের আকারে পরিণত করতে সমর্থ একথা বলাই যায়। এহেন ‘মায়ের প্রেরণা’র উদ্যোগে ভারতের স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে আয়োজন করা হয়েছিল গর্বের ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এবং ভারত মায়ের বীর শহীদ সন্তানদের স্মরণে এক স্বেচ্ছা রক্তদান শিবিরের।
এই রক্তদান শিবির শুধুমাত্র আর পাঁচটা রক্তদান সিবীরেরর মত নয় তার প্রমাণ মিলল এই শিবিরে উপস্থিত হয়ে। এদিনের শিবিরে ‘মায়ের প্রেরণা’র আহবানে সাড়া দিয়ে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষজনের আন্তরিক উপস্থিতি ছিল বিশেষ লক্ষণীয়। এদিন এই শিবিরে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের মধ্যে অন্যতম এক মহীয়সী নারী ননীবালা দেবীর নামে নামাঙ্কিত মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বালীর বিধায়ক ডাঃ রাণা চট্টোপাধ্যায়, উপস্থিত ছিলেন সংবাদ প্রতিখনের প্রধান সম্পাদক স্বরুপম চক্রবর্তী ও সংবাদ প্রতিখনের কারিগরী সম্পাদিকা দিপান্বীতা দাস।
সদ্য পায়ে হেঁটে হুগলি থেকে সুদূর লে-লাদাখ থ্যেকে ঘুরে আসা মিলন মাঝি সহ আইএফএ’র সভাপতি অজিত ব্যানার্জি ও সহ সভাপতি সৌরভ পাল, উপস্থিত ছিলেন ডোমজুড়ের বিধায়ক কল্যাণ ঘোষ সহ বেশ কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। এদিন এই মঞ্চ থেকে করোনা যোদ্ধা হিসেবে বেশ কয়েকটি সংগঠন ও মানুষদের বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয় ‘মায়ের প্রেরণা’র পক্ষ থেকে।
















