

নিজস্ব সংবাদদাতা, হুগলি: হুগলি জেলার চণ্ডীতলা, গরালগাছা, জঙ্গলপাড়া, মশাট, শিয়াখালা এই এলাকাগুলির বুক চিরে চলে গেছে অতীতের অহল্যাবাই-বেনারস রোড, বর্তমানে যে রাস্তা পরিচিত ১৫ নং রাজ্য সড়ক হিসেবে। এই রাজ্য সড়কের ওপর যানবাহন নিয়ন্ত্রণের জন্য যাঁদের থাকার কথা তাঁদের দেখা প্রায়শই পাওয়া যায় না বলেই ওই সকল এলাকাগুলির স্থানীয় মানুষদের অভিযোগ।
এই রাস্তার একদম পাশেই রয়েছে গরালগাছা হাইস্কুল সহ আরও তিনটি স্কুল। স্থানীয় টোটো চালক থেকে স্কুল পড়ুয়াদের অবিভাবক সহ ছাত্র-ছাত্রী ও স্থানীয় সকলের মুখেই শোনা গেল একটাই অভিযোগ-সকালে কিছুটা সময় এই এলাকায় যদিও বা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রনে প্রশাসনের লোকদের দেখা যায় কিন্তু বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের দেখতে পাওয়া যায় না। আবার হয়ত বা বিকালে দেখতে পাওয়া যায় তাঁদের। এই একই অবস্থা জনবহুল মশাট বাজার সহ শিয়াখালা চৌমাথা সমেত সব জায়গায়। তাঁর ওপর এই রাস্তায় একটু বেলা বাড়লেই চলতে থাকে ট্রাফিক নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে অত্যধিক গতিতে যান চলাচল, তা সে সরকারী বাস হোক বা পণ্য পরিবহনকারী গাড়ি।
এই রাস্তার ওপর যদিও গতি নিয়ন্ত্রণের জন্য স্পীডমিটার লাগানো আছে তা স্বত্বেও কিন্তু নিয়মিত ভাবে চলছে এই অত্যধিক গতিতে যান চলাচল। এছাড়াও এই রাস্তার বিভিন্ন মোড়গুলিতে ট্রাফিক সিগন্যাল এর ব্যবস্থা থাকলেও সেগুলিও ঠিকঠাক কাজ করে না, আর কেউই তা মানেন না, কারণ ট্রাফিক পুলিশের অনুপস্থিতি। সিগন্যাল ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের জন্য মোড়ে মোড়ে ট্রাফিকের সিগন্যাল কন্ট্রোল করার ঘর করা থাকলেও অধিকাংশ সময়ে তা থাকে তালাবন্ধ অবস্থায়।
এখন দেখার এই রাস্তায় সঠিক ভাবে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ কবে হবে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে, নাকি বড়সড় কোনও দুর্ঘটনার পর টনক নড়বে প্রশাসনের।
