
নিজস্ব সংবাদদাতা, হুগলি: ঋতুর সেরা ঋতু বসন্ত, যা স্বীকার করেছেন স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ। আর বংশত ঋতু মানেই নানা রঙে রাঙিয়ে নিয়ে সকলের সঙ্গে এক হয়ে মেতে ওঠা। এই বসন্তেই হয় দোল যাত্রা যা সমধিক প্রচলিত দোল উত্সব হিসেবে।

এক সময় আমাদের রাজ্যে শুধুমাত্র শান্তিনিকেতনে মহা সমারোহে নৃত্য-গীতের সমাহারে পালন করা হতো বসন্ত উত্সব। আর কয়েক বছর ধরে এই বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে আবিরে রাঙিয়ে নাচ-গান-কবিতা ও প্রভাত ফেরীর মধ্য দিয়ে সাড়ম্বরে পালন করা হচ্ছে দোল উত্সব।

দোলের দিন সকালে শান্তিনিকেতনের ঝলক দেখতে পাওয়া গেল হুগলি জেলার বৈদ্যবাটি পৌরসভার ১ ও ২০ নং ওয়ার্ডে। এই দুটি ওয়ার্ডের উন্নয়ন কমিটি ও ওয়ার্ড কমিটির ব্যবস্থাপনায় এলাকার সকলকে নিয়ে আয়োজন করা হয়েছিল বসন্ত উত্সবের।

দুটি ওয়ার্ডের অনুষ্ঠানে দেখা মিলল নানা বৈচিত্রের। দেখা মিলল দুটি ওয়ার্ডের পৌরপ্রতিনিধি যথাক্রমে অমৃত ঘোষ ও হরিদাস পালকে সাধারণের সঙ্গে এক হয়ে আবিরের রঙে নিজেদের রাঙিয়ে নিতে।

বাংলার কৃষ্টি, শিল্প, সাহিত্যের অপরূপ ছোঁয়ায় সার্থকতা লাভ করেছিল এই দুটি ওয়ার্ডের দোলের দিনের প্রভাতী অনুষ্ঠান। শিশু থেকে বৃদ্ধ, কিশোর-কিশোরী, গৃহবধূ সকলেই একাত্ম হয়ে মেতে উঠেছিলেন এই উত্সবে। দুটি উত্সবের আসরে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক অরিন্দম গুঁইন, পৌরপ্রধান পিন্টু মাহাতো সহ এই পৌরসভার সকল পৌর প্রতিনিধিগণ।

‘ওরে গৃহবাসী খোল দ্বার খোল, লাগলো রে দোল…..’ কবিগুরুর অমোঘ সৃষ্টি গানের সঙ্গে আবিরের রঙে রঙিন হয়ে বসন্তকে আহ্বান করে নিজেদের রঙিন করে তুলেছিলেন এই দুটি ওয়ার্ডের আপামর জনসাধারণ।

