
নিজস্ব সংবাদদাতা, কোচবিহার: ফেব্রুয়ারীর তৃতীয় দিনটিতে কোচবিহার রবীন্দ্র ভবন মেতে উঠল সুমন চক্রবর্তীর নন্দিনী অভিনীত রক্তকরবীর অভিনয়ে। শ্রুতিনাটক হিসেবেই সুমনরা এদিন রক্তকরবীতে অভিনয় করে মানুষের প্রশংসা আদায় করে নেন। কাব্যতীর্থর দশম বর্ষ পূর্তি উপলক্ষে প্রেক্ষাগৃহ ভরতি মানুষের সামনে সুমনদের রক্তকরবী এক অনন্য মাত্রা দেয় অনুষ্ঠানকে। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে কবি অশোক মুখোপাধ্যায় বলেন, কাব্যতীর্থর মতো সংগঠনগুলি আছে বলেই বাংলায় এখনও সংস্কৃতি বেঁচে আছে। আজকাল তো অনলাইনেই সব কিছু করে বাজারে ছেড়ে দিচ্ছে। তাতে সংস্কৃতি ক্ষতি কতটা হচ্ছে বা কতটা লাভবান হচ্ছে তা ভবিষ্যতই বলতে পারবে।

কাব্যতীর্থর শিক্ষার্থীরা যেভাবে এদিন একের পর এক তাদের কন্ঠে বিভিন্ন কবিতার শব্দগুলো উচ্চারণ করল তা এককথায় অনবদ্য। সুমন চক্রবর্তীর একক আবৃত্তি সাধারণ মানুষের কাছে আবৃত্তি শেখায় এবং শেখানোয় নতুন করে উৎসাহ তৈরি করবে। এদিন বিশেষ আকর্ষণ ছিল বাচিক শিল্পী কাজল সুরের সওয়া এক ঘন্টা নাগাড়ে আবৃত্তি পরিবেশন। গদ্য, পদ্য, প্রবন্ধ, চিঠি সবই তিনি পরিবেশন করেছেন তাঁর গলার জাদুতে। গদ্যও যে মুখস্থ বলা যায় সাবলীল গতিতে তা কাজল সুরকে সামনে থেকে না শুনলে বোঝা যাবে না। সব শেষে অনুষ্ঠিত হয় রবীন্দ্রনাথের রক্তকরবী। নন্দিনী যেমন সুমন করেছেন তেমনি বিশু পাগল করেছেন কাজল সুর। রাজার ভূমিকায় ছিলেন প্রসেনজিৎ ঘোষ। এই তিনজনের অভিনয় ছিল প্রশংসনীয়।

