নওপাড়ার প্রতিটি মৌজার জনগণ বিনামূল্যে পাণীয় জল পেতে চলেছে

অভিজিৎ হাজরা, আমতা, হাওড়া: গ্ৰামীণ হাওড়া জেলার নওপাড়া গ্ৰাম পঞ্চায়েতের নওপাড়া গ্ৰামে বারুজীবি সম্প্রদায়ের মানুষের বসবাস বেশি। এই সম্প্রদায়ের মানুষের প্রধান জীবিকা হল পান চাষ।এই সম্প্রদায়ের মানুষের আরাধ্য দেবী সমীচন্ডী। এই গ্ৰামে এই সম্প্রদায়ের নয়শো পরিবারের প্রায় ৩,৫০০ জন মানুষ বসবাস করে।

এই গ্ৰামে বারুজীবি সম্প্রদায়ের মানুষ তাঁদের আরাধ্য দেবী সমীচন্ডী -র আরাধনা করার জন্য ১৩১৬ বঙ্গাব্দে গড়ে তোলেন ‘ নওপাড়া বারুজীবি আদর্শ সমিতি ‘। এই সমিতি ১১৩ তম বর্ষে সমীচন্ডী মাতার আরাধনা উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এর পাশাপাশি প্রথম বর্ষ তুবড়ি প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও তুবড়ি প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে আমতা কেন্দ্রের বিধায়ক সুকান্ত পাল ঘোষণা করেন , ‘ আর কয়েক মাসের মধ্যেই নওপাড়া গ্ৰাম পঞ্চায়েতের প্রতিটি মৌজার মানুষ বাড়িতে বাড়িতে বিনামূল্যে পাণীয় জলের সংযোগ পাবেন।এই বিষয়ে আর্থিক সহায়তা পাওয়া গেছে।ট্রেন্ডার ডাকা হয়েছে ।কাজ খুব শীঘ্রই শুরু হবে।      তুবড়ি -র খোলে আগুন দিয়ে তুবড়ি প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিধায়ক সুকান্ত পাল। তুবড়ি প্রতিযোগিতায় হাওড়া, হুগলি,২৪ পরগণা, মেদিনীপুর জেলা থেকে ৩৫০ জন প্রতিযোগী অংশ গ্ৰহণ করে।প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জন করে যথাক্রমে সুশান্ত বারুই (নষ্করপুর),কুশল নষ্কর (লক্ষণপুর),পল্লব সাঁত্রা (দক্ষিণেশ্বর)। পুরষ্কার হিসাবে দেওয়া হয় যথাক্রমে নগদ ৫,০০১ টাকা ও ট্রফি প্রথম,৩,০০১ টাকা ও ট্রফি দ্বিতীয়,২,০০১ টাকা ও ট্রফি তৃতীয়।সান্তনা পুরষ্কার পেয়েছেন অতনু মান্না(জুজারসাহা), কৃষ্ণেন্দু হাজরা (জুজারসাহা),বাপন নষ্কর(লক্ষণপুর)। সান্তনা পুরষ্কার হিসাবে দেওয়া হয় ৫০১ টাকা করে সেই সঙ্গে একটি করে ট্রফি। চন্দ্রনাথ সারিকেত ও অতনু শীলের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়।

%d bloggers like this: