নিজস্ব সংবাদদাতা: গতকাল ৪ আগস্ট, ২০২১ থেকে রাজ্যের সরকার অনুমোদিত এবং সরকারী জেলা, শহর এবং গ্রামীণ গ্রন্হাগারগুলি কোভিড রীতি মেনে সপ্তাহে দুইদিন অর্থাৎ সোমবার এবং বুধবার পাঠকদের জন্য খুলে দিল প্রশাসন। গ্রন্হাগারগুলি খোলার জন্য পাঠকরা দাবী জানিয়ে আসছিলেন বেশ কিছুদিন থেকেই। বই পড়া থেকে বেশ কিছুদিন বিরত ছিল পাঠককূল। বই পড়া শুধু শিক্ষার জন্য নয়, সৎ সঙ্গের জন্যও তা জরুরী। সময় কাটানোর, নিঃসঙ্গতা দূর করতে, মানসিক আনন্দলাভে বই পড়ার গুরুত্ব অপরিসীম। তবে গ্রন্হাগার সপ্তাহে দুদিন খুলে দিলেও এই পরিস্হিতিতে শিশু সদস্যদের গ্রন্হাগার ব্যবহার করতে বারণ করা হয়েছ এই নির্দেশে। এছাড়াও গ্রন্হাগারে স্যানিটাইজার ব্যাবহার, পাঠকদের ৫০ শতাংশ উপস্হিতির উপর নজর দিতে হবে।
উল্লেখ্য, করোনার প্রকোপ কিছুটা কমলে গত ১৫ ই মার্চ, ২০২১ থেকে গ্রন্হাগারগুলি রোজ খুলে রাখার নির্দেশ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পাঠকরা বই পড়ার আনন্দ উপলব্ধি করতে শুরু করেন। কিন্তু আবার ২৩ এপ্রিল, ২০২১ থেকে করোনার প্রকোপে পড়ে গ্রন্হাগারগুলি পুরোপুরি ভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ আসে। এতে গ্রন্হাগারগুলি বন্ধ হয়ে গিয়ে কোথাও উই ধরে আবার কোথাও অযত্নে বইগুলি নষ্ট হওয়ার আশংকা করে শিক্ষানুরাগী মানুষদের কাছ থেকে এই সরকারী ক্ষতি বন্ধ করতে আর্জি আসতেও শুরু করে। তবে একথা স্বীকার করে নিতে হয় আজ থেকে দুদিন গ্রন্হাগার খুলে দেওয়ায় পাঠকরা বেশ খুশী। হুগলী জেলা কেন্দ্রীয় গ্রন্হাগারের ভারপ্রাপ্ত গ্রন্হাগারিক প্রসেনজিৎ পুরকায়েত গ্রন্হাগার খোলার সঙ্গে পাঠক এবং ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন অনলাইন পরিষেবা, যেমন কলেজে ভর্তির আবেদন পত্র জমা, বা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার অনলাইন প্রস্তুতি প্রভৃতি পরিষেবা দেওয়া হবে বলে জানান।









