খবর

করোনা আটকে দিল জগন্নাথের রথের চাকা পরপর দুই বছর

jaggannath-2021-5নিজস্ব সংবাদদাতা: ৬২৫ বছরের ইতিহাসে এই নিয়ে পরপর দুইবার গড়ালো না পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম  হুগলি জেলার শ্রীরামপুর মাহেশের জগন্নাথ দেবের রথের চাকা। করোনা অতিমারির করাল গ্রাস থেকে জনগণকে রক্ষা করতেই পরপর দুই বছর এই পদক্ষেপ হুগলির মাহেশের সুবিখ্যাত এই জগন্নাথ মন্দিরের মন্দির কমিটির। চতুর্দশ শতকে ধ্রুবানন্দ ব্রহ্মচারীর হাতে প্রতিষ্ঠিত মাহেশের এই জগন্নাথ মন্দির আরে এই মাহেশকে চৈতন্যদেব আখ্যা দিয়েছিলেন ‘নব নীলাচল’  বা নতুন পুরী নামে। এই বছরেও সকল রকম রীতি মেনে হুগলির এই মন্দিরের মধ্যেই অস্থায়ী ভাবে তৈরি করা মাসির বাড়িতে অধিষ্ঠান করছেন জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার দারু মূর্তি।

 অপরদিকে গত  বছরের মতো এই বছরেও শ্রীরামপুর লোকসভার সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এই মন্দিরের নারায়ণের শালগ্রাম শিলা যথাযোগ্য শ্রদ্ধা সহকারে ১ কিলোমিটার পথ পদব্রজে অতিক্রম করে মাসিরবাড়ির মন্দিরে নিয়ে যান। এর আগে মাহেশ জগন্নাথ মন্দির কমিটির পক্ষে বর্তমান প্রধান সেবাইত সৌমেন অধিকারী সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে নারায়ণের শালগ্রাম শিলার সিংহাসন তুলে দেন। গত বছরের মতোই এই বছরেও আড়ম্বরহীন পরিবেশে জগন্নাথের মূল মন্দির থেকে মাসীর বাড়ি নারায়ণের শালগ্রাম শিলাকে মাসির বাড়ি পৌছে দিলেন সাংসদ। অপরদিকে এই জেলারই অন্যতম আর এক প্রাচীন রথযাত্রা গুপ্তিপাড়ার রথ। যে রথের বয়স ২৮১ বছর। এই বছরেও ঠিক একই কারণে গত বছরের মতোই এখনকার ঐতিহ্যমণ্ডিত রথের চাকাও গড়ায় নি আজ। গুপ্ত বৃন্দাবন হিসাবে খ্যাত এই গুপ্তিপাড়ার মঠের জগন্নাথ বলরাম ও সুভদ্রার মূর্তি এই বছরের রথে চেপে মাসির বাড়ি যেতে পারলেন না। শুধুমাত্র পূজা পাঠ করেই পালন করা হল গুপ্তপল্লী  বা গুপ্তিপাড়া এই বছরের রথ উত্‍সব।

advt-banner.3advt112-for-advt-sankha-sengnc-advt-6x4-for-webLATEST ADVT OF JOTISH149560606_1955498754590550_7537541499495602122_o149274739_1955175504622875_8761804105952090197_oadvt-1advt-3advt-4advt-5