ইজেডসিসির উদ্যোগে মুক্তমঞ্চে লকডাউন পরবর্তী সময়ে নতুন প্রাণ পেল থিয়েটার

c190b3a8-0650-4581-a092-fa0be1346324নিজস্ব সংবাদদাতা: করোনার প্রাদুর্ভাব ও লকডাউন কবলিত জীবনযাত্রায় ইস্টার্ন জোনাল কালচারাল সেন্টার (ইজেডসিসি) কলকাতা ও দ্য বেঙ্গলের যৌথ উদ্যোগে সল্টলেকের রঙ্গমঞ্চ অ্যাম্ফিথিয়েটারে পূর্ণ সভাগৃহে মঞ্চস্থ হল থিয়েটার। স্বাস্থ্যবিধি সুরক্ষিত করতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা থেকে শুরু করে স্যানিটাইজার, উষ্ণতা মাপার মেশিনের পাশাপাশি ছিল প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পিপিই পরা স্বেচ্ছাসেবী কর্মী। থিয়েটার পরিবেশনার ক্ষেত্রেও ছিল অভিনবত্ব। কলাকুশলীরা দূরত্ব বজায় রেখে, স্পর্শ এড়িয়ে উপস্থাপনা করেন।

Untitled-1

২১শে সেপ্টেম্বর রাজ্য সরকার মুক্তাঙ্গনে থিয়েটার অনুষ্ঠিত হওয়ার অনুমোদন দেওয়ার পর নাট্যদল পূর্ব পশ্চিম ‘জ্বরাসুরবধ পালা’র মঞ্চাভিনয় করেন, নির্দেশনায় সৌমিত্র মিত্র। ইজেডসিসি কলকাতার চেয়ারম্যান গৌরী বসু বলেন, “যে সীমিত সংখ্যক উদ্যোক্তারা মুক্তাঙ্গনে থিয়েটার উপস্থাপিত করার বিষয়ে সচেষ্ট হয়েছেন, আমরা তাদের মধ্যে একজন। দর্শক, উদ্যোক্তা, কলাকুশলী নির্বিশেষে প্রতিটি ব্যাক্তি মাস্ক পরে অনুষ্ঠানে যোগদান করেন। সাবধানতা অবলম্বন করতে প্রতিটি বক্তার বক্তৃতার পরে মাইক্রোফোন স্যানিটাইজ করা হয়েছে”।

মাস্ক পরিহিত দর্শকদের জন্য নির্দিষ্ট দূরত্বে বসার বন্দোবস্ত করা হয়। স্বাস্থ্যসচেতনতা বজায় রাখার দিকেও ছিল কড়া নজর, জানালেন ইজেডসিসির প্রোগ্রাম এক্সিকিউটিভ অভিজিৎ চৌধুরী। “কলকাতার হৃদস্পন্দন এই থিয়েটার মার্চ মাসে লকডাউন ঘোষিত হওয়ার পর পুরোপুরি স্তব্ধ হয়ে যায়। মঞ্চ উপস্থাপনার ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব বিধি বজায় রাখতে যে অভিনব কৌশল প্রয়োগ করা হয়েছে তা সত্যিই প্রশংসনীয়।

advt-4

অভিনয়ের ক্ষেত্রে স্পর্শ না করা, দূরত্ব বজায় রেখেও ভাবপ্রকাশ রীতিমত চ্যালেঞ্জিং। সাংস্কৃতিক ধারার এই বিবর্তন ও অভিনবত্বের সংযোজন থিয়েটারে এক নতুন যুগের সূচনা করল বলে জানালেন দ্য বেঙ্গলের সাম্মানিক সেক্রেটারি জেনারেল সন্দীপ ভূতোড়িয়া।

advt-2

পূর্ব পশ্চিম দলের কর্ণধার সৌমিত্র মিত্র জানান, একদিকে মহামারী ও অন্যদিকে বিধ্বংসী আমফানের দাপটে কর্মহারা নাট্যকর্মী ও আর্তজনদের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলাম দলের পক্ষ থেকে। এই কর্মসূচী ও পরিস্থিতি থেকে এক অদ্ভুত শিক্ষালাভ করি ও মনে আসে এক নতুন চিত্রনাট্য। নৃত্যপরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন সুকল্যান ভট্টাচার্য্য, সুর অভিজিৎ আচার্য্য। পোশাক পরিকল্পনায় মালবিকা মিত্র।

Untitled-2

লুনা পোদ্দার বলেন পারফর্মিং আর্ট গ্রুপ প্রেরণা সেন্টার বিশেষ নৃত্য এবং একটি ঐকিক পরিবেশনা করেন। ‘তা তা থৈ থৈ’ নাটকের নির্দেশক নীলাদ্রিশেখর ব্যানার্জী জানান অভিনেতা ও কলাকুশলীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে পুরানো ধারার কিছু ক্ষেত্রে পরিবর্তিত করা হয়েছে।

advt-5advt-1advt-3

error: Content is protected !!

Discover more from Sambad Pratikhan

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading

Powered by Joinchat