জেলা

গান ছেড়ে অর্ডারি মাল সাপ্লাই দিচ্ছেন শিল্পীরা

ganপ্রবীর বোস: করোনা পর্বে কাজ নেই স্থানীয় সঙ্গীত শিল্পী থেকে যন্ত্রসঙ্গীত শিল্পীদের।ইতি মধ্য কেন্দ্র থেকে রাজ্য সরকার লক ডাউন শেষে আনলক প্রক্রিয়া শুরু হলেও বন্ধ বিভিন্ন বিচিত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বন্ধ হোটেলের পানশালা। তাই বন্ধও গান বাজনা। যার ফলে সঙ্গীত থেকে যন্ত্র বাজানোর শিল্পীদের বন্ধ হয়ে গেছে রোজগারের রাস্তা। এক প্রকার জীবন কর্মহীন হয়ে পড়েছে। এমনি এক করুন দৃশ্য দেখা গেলো পান্ডুয়ার বৈঁচি গ্রামের বেশকিছু সঙ্গীত শিল্পীদের। তাই সংসারকে সচল রাখতে কোন কোন শিল্পী বেছে নিয়েছে অন্য রকমের কিছু ব্যাবসা। বিভিন্ন দোকানে দোকানে ঘুরে শস, ঘি, বিরিয়ানি মসলা সহ নানান অর্ডারি মাল সাপ্লাই দিতে দেখা গেল বেশ কিছু গান বাজনা জগতের শিল্পীদের ।

এক প্রকার তারা এখন সংগীতশিল্পী থেকে হয়ে উঠেছে রাস্তার ফেরিওয়ালা। এমনি এক শিল্পীর দাবি, আগে  আমরা প্রতিদিনই প্রায় স্টেজ পোগ্রাম করতাম। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে আমাদের আর সংসার চলছে না। তাই আমাদের সরকারের প্রতি আবেদন স্বাস্থ্য বিধি মেনে অনুষ্ঠানের অনুমতি দিক প্রশাসন। এক মহিলা সঙ্গীত শিল্পীর কথায় করোনা আবহে প্রশাসন বিয়ে বাড়ি বা অনুষ্ঠান বাড়ি গুলিতে স্বাস্থ্য বিধি মেনে পঞ্চাশ জনের ছাড়পত্র দিয়েছে। সেই নিয়মেই শিল্পীদের বিচিত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের অনুমতি দিলে খুব ভালো হয়। তা নাহলে উপার্জনহীন হয়ে শিল্পীরা না খেয়ে মরে যাবে।

advt-4advt-5advt-1advt-3advt-2