খবর

২য় দিনের লক ডাউনে হুগলি জেলা

WhatsApp-Image-2020-07-25-at-4.35প্রবীর বোস ও শুভদীপ দে:  শনিবার সকালে থেকে সিঙ্গুর থানার পুলিশ কর্মীরা বৈদবাটী থেকে তারকেশ্বর রাস্তার উপর বাঁশের  ব্রারিগেড লাগিয়ে লকডাউন করলেন। সিঙ্গুর থানার এক পুলিশ আধিকারিক জানান।এই এলাকায় বেশকিছু বাড়ীতে করোনা ভাইরাস দেখা দিয়েছে। তার সঙ্গে সঙ্গে এই এলাকা দিয়ে তারকেশ্বর জলযাত্রীদের আটকানো জন্য এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তবে আজ শনিবার লকডাউনের দ্বিতীয় দিন। তাই হুগলি জেলার গ্রামীন পুলিশের পক্ষ থেকে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে ।

হুগলি জেলার চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের চুচূড়া থানায় এলাকায়  সরকারি লক ডাউনের নির্দেশ না মানার জন্য আজ সকালে গ্রেফতার করেছেন ৬৪ জনকে বলে চুচূড়া থানার আই সি প্রদীপ দান সূত্রে জানা গেছে। চন্দননগর থানায় আই সি শুভেন্দু মুখোপাধ্যায় জানান শনিবার সকালে চন্দননগর থানার এলাকায় লকডাউনের সরকারি নির্দেশ না মেনে দোকান খুলে জমায়েতে ও সরকারি নির্দেশ উপেক্ষা করে রাস্তায় অযথা ঘোরার জন্য ১৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়াও ভদ্রেশর, শ্রীরামপুর, রিষড়া, উত্তরপাড়া সহ জেলার বিভিন্ন থানায় ও ফাঁড়িতে লকডাউনের দ্বিতীয় দিনে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়ে থাকে।

সরকারি নির্দেশ মত সপ্তাহের দ্বিতীয় লক ডাউনে দোকান খোলার অভিযোগে কোন্নগর অরবিন্দ পল্লী এলাকা থেকে তিন ব্যক্তি কে আটক করল উত্তরপাড়া থানার অন্তর্গত কোন্নগর পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ। লক ডাউনের টহলদারি করার সময় দেখতে পায় অরবিন্দ পল্লী এলাকায় কয়েকটি দোকান খোলা। পুলিশ কে দেখে দুটি দোকান মালিক পালিয়ে গেলেও তিন জন কে ধরে ফেলে পুলিশ। তাঁদের সরকারি নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে আটক করে নিয়ে আসা হয় কোন্নগর পুলিশ ফাঁড়িতে। k4অন্যদিকে উত্তরপাড়া থানার অন্তর্গত কানাইপুর পুলিশ ফাঁড়ির পক্ষ থেকে নজরদারি করতে দেখা য়ায় কোন্নগর স্টেশন সংলগ্ন এলাকায়। অকারনে রাস্তায় বের হলে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য করানো হয়। এমনকি মাস্ক না পরলে মাস্ক কিনতেও বাধ্য করা হয় পুলিশের পক্ষ থেকে।