Uncategorized

উই-উইমেন পার এক্সেলেন্স

প্রকৃতির অপরিহার্য অঙ্গ নারী, নারী কেবলমাত্র একটি সত্তার নাম নয়, সে একটি চালিকা শক্তি যাকে ছাড়া পৃথিবী অচল। কালের গতিতে পুরুষের সঙ্গে সঙ্গে নারীও অবদান রেখে এসেছে এই সমাজে। নারী তার ধীশক্তি, বুদ্ধি, যোগ্যতা, শ্রম এবং মমতার মধ্য দিয়ে গড়ে তুলেছে, জন্ম দিয়েছে নতুন সভ্যতার। বিনিময়ে জুটেছে অবলা নারীর ভাগ্যে অবিচার ও অত্যাচার। সমাজের নানান সমস্যা আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরেছে তাকে। হাজারও বাধা-বিপত্তি স্থবির করে তুলছে নারীর এগিয়ে চলার গতিকে। হয়ত বা এসেছে আইন নারীদের প্রয়োজনে,কিন্তু পরিবর্তন কি ঘটেছে? তাই এই শতাব্দীর নারী আজও বড় অসহায়। মানসিক-শারীরিক ও যৌন নির্যাতন, পারিবারিক বৈষম্য, অনার-কিলিং, অবমূল্যায়ন, ইভটিজিং, ধর্ষণ, খুন, এবং সামাজিক বৈষম্য আজ নারীদের কাছে তাদের নিজের মত করে বাঁচতে চলার পথে বড় কাঁটা। তবুও হাজার বাধার পাহাড় অতিক্রম করেও এখনও কিছু নারী নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছেন বা হচ্ছেন।

বাধার পাহাড় অতিক্রম করে নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত ৬ জন নারীকে সন্মান জানালো কলকাতার এস. সি. কমুনিকেশন “উই-উইমেন পার এক্সেলেন্স” শীর্ষক এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে ২মে, কলকাতার অক্সফোর্ড স্টোরে। এদিনের সন্ধ্যা আলোকিত হয়ে উঠেছিলো সেই সকল নারীদের উপস্থিতিতে যারা নিজ চেষ্টায় নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছেন এবং আমাদের পুরুষশাসিত সমাজে নিজেদের উজ্জ্বল উপস্থিতি মেলে ধরেছেন। আয়োজিত সংস্থার প্রধান সঙ্গীতা চক্রবর্তী বলেন মূলত নারী শক্তির অবমূল্যায়ন উপেক্ষা করে যে সকল মহিলা আমাদের এই বাংলায় স্ব-মহিমায় প্রতিষ্ঠিত তাদের মধ্যে ৬ জন মহীয়সী নারীকে সামান্য সন্মান জানতে পেরে তারা সত্যিই আনন্দিত। এদিন সন্ধ্যায় “উই-উইমেন পার এক্সেলেন্স” স্মারক দিয়ে সন্মান জানানো হলো সাংবাদিক ও টেলিভিশনের পরিচিত মুখ নিউজ অ্যাঙ্কর মৌপিয়া নন্দী, সাংবাদিক ও লেখিকা অমৃতা মুখার্জী, অভিনেত্রী সংঘমিত্রা রায় চ্যাটার্জী, ইংরেজি ভাষার কবি জয়ি বোস, জনসংযোগ দুনিয়ার অন্যতম ব্যক্তিত্ব মালা দাশগুপ্তা ও আমাদের সকলের গর্ব বাংলার মহীয়সী নারী পদ্মশ্রী শুভাসিনী মিস্ত্রি কে। সকলের হাতে সন্মান তুলে দেন প্রকাশক ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায় ও লেখক-পরিচালক রামকমল মুখার্জী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সাংবাদিক স্নেহাশীষ সুর।

Categories: Uncategorized