
অভিজিৎ হাজরা, হাওড়া: বহু প্রাচীনকাল থেকেই হাওড়া জেলার জলাভূমি এলাকাগুলোয় ফলহারিণী কালীপুজোকে কেন্দ্র করে পার্শ্ববর্তী রাজ্য ও জেলা এবং হাওড়া জেলার বভিন্ন প্রান্ত থেকে অনেকেই বল্লম, টাঙ্গি, তীর-ধনুক নিয়ে বন্যপ্রাণী শিকারে আসে। ২০১২ সাল থেকে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রচেষ্টায় বন বিভাগ ও আদালতের সহায়তায় এই অনৈতিক শিকার বন্ধ করতে আদালতের রায় অনুযায়ী এখন যেকোনো ধরণের শিকার বেআইনি।

প্রসঙ্গত বলা যায় গত তিন বছর হাওড়া জেলায় একটিও শিকারের ঘটনা ঘটেনি, যা একটি বড় সাফল্য।সেই সাফল্য ধরে রাখতে হাওড়ার একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবছরও বন বিভাগের সহযোগিতায় হাওড়া জেলার বিভিন্ন ফেরিঘাট ও জলপথ সংলগ্ন এলাকায় বন্যপ্রাণ শিকারের বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক প্রচার শুরু করেছে। এই উদ্দেশ্যে ওই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষে সংগীতা গিরি স্থানীয় ফরিঘাটগুলিতে মাইকিং ও লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করছেন। হাওড়া জেলা বনবিভাগের তরফে সাঁওতালি, বাংলা ও হিন্দি ভাষায় শিকার বিরোধী বার্তা লেখা ব্যানার লাগানো হয়েছে।

সংগঠনের সম্পাদক শুভ্রদীপ ঘোষ বলেন, তাঁদের স্বেচ্ছাসেবকরা ইতিমধ্যেই প্রত্যেক গ্রামে কাজ শুরু করেছেন। কোথাও শিকারির সন্ধান পেলেই তাদের বন বিভাগ ও পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

