

পথিক মিত্র: সাড়ম্বরে পালিত হল পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ১৩২তম প্রয়াণ দিবসের বিশেষ অনুষ্ঠান এই বাংলার পুণ্যভূমি অতীতের হুগলি জেলার বর্তমানে পশ্চিম মেদিনীপুরের বীরসিংহ গ্রামে। এদিন এই উপলক্ষে বাংলার এই পুণ্যভূমির মাটি স্পর্শ করতে এই জেলার বিভিন্ন প্রান্ত সহ অন্যান্য জেলা থেকেও আপামর জনসাধারণের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। যদিও ইংরাজী মতে ২৯ জুলাই ছিল ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রয়াণ দিবস। কিন্তু বীরসিংহবাসীরা ঠিক তার পরদিন অর্থাত্ বাংলা মতে বাংলা ১৩ শ্রাবণকেই ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রয়াণ দিবস হিসেবে মেনে প্রতি বছর নানান অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকেন নিজেদের মত করে।
এই বছর ঘাটাল পঞ্চায়েত সমিতি, বীরসিংহ গ্রাম পঞ্চায়েত, বীরসিংহ ভগবতী বিদ্যালয়, বীরসিংহ উন্নয়ন পর্ষদ, বীরসিংহ লাইব্রেরীর মিলিত উদ্যোগে ঘাটাল মহকুমার মহকুমা শাসক সুমন বিশ্বাসের আন্তরিক সহযোগিতায় এবং উত্সাহে ১৩২তম প্রয়াণ দিবসে ১৩২টি গাছের চারা রোপণ এবং ১৩২ জন স্বেচ্ছা রক্তদাতার রক্তদান, প্রভাত ফেরী সহ নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে স্মরণীয় করে রাখলো ভারতের নবজাগরণের অন্যতম পথিকৃত্ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ১৩২তম প্রয়াণ দিবসের বিশেষ অনুষ্ঠান। এদিন প্রতি বছরের মতই স্থানীয় গ্রাম সহ আশে-পাশের গ্রামের জনগণকে পংক্তি ভোজনেরও বন্দোবস্ত করা হয়েছিল।
পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রয়াণ দিবসকে স্মরণীয় করে রাখতে এদিন পশ্চিম মেদিনীপুরের এই বীরসিংহ গ্রামে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের আত্মীয় অমিতাভ বন্দোপাধ্যায়ের আহ্বানে জন্মভিটায় হাজির ছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের আত্মীয় জয়দীপ চট্টোপাধ্যায়, রাষ্ট্রগুরু সুরেন্দ্রনাথ বন্দোপাধ্যায়ের আত্মীয় পরাশর বন্দোপাধ্যায় সহ পরিবেশবিদ তুহিন মুখোপাধ্যায় সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
স্বরবর্ণের প্রতিটি অক্ষরের নামাঙ্কিত গাছের চারা এদিন এই অতিথিরা রোপণ করেন বিদ্যাসাগরের জন্মভিটায়। কবিতা পাঠ, আলোচনা, সঙ্গীত ইত্যাদির মাধ্যমে স্মরণীয় হয়ে রইল পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ১৩২তম প্রয়াণ দিবস বীরসিংহ গ্রামে।
















