খবর

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রেকর্ড ভোটে জয়ে উল্লাসে ফেটে পড়ল তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে সাধারণ মানুষ , উচ্ছ্বাস হুগলির রিষড়াতেও

20150102_051158নিজস্ব সংবাদদাতা: রাজ্যের তিন বিধানসভা আসনে উপ-নির্বাচনের মূল নজর ছিলো মুখ্যমন্ত্রীর ভবানীপুর , যে আসনের ফলাফল ইতিমধ্যেই প্রকাশ হয়েছে।প্রত্যাশা মতই এই কেন্দ্রে তৃণমূল সুপ্রীমো মমতা ব্যানার্জী নিজেই নিজের জয়ের রেকর্ড ভেঙে ৫৮,৮৩৫ ভোটে হেলায় হারালেন তাঁর বিজেপির প্রার্থীকে। বলাই যায় নিজেই নিজের রেকর্ড ভাঙলেন, তাঁর এই জয়ে সারা রাজ্যের তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়তে দেখা যায়। চলে সবুজ আবির খেলা, সঙ্গে পথ চলতি মানুষদের মিষ্টিমুখ। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বিপুল জয়ে খুশিতে মেতে উঠতে দেখা গেল হুগলি জেলার মিনি ভারত রিষড়াতেও। এদিন জয়ের খবর আসার সঙ্গে সঙ্গে এখনকার তৃণমূল নেতৃত্ব মেতে ওঠেন সবুজ অবিরে নিজেদের রাঙিয়ে নিতে, সঙ্গে চলয়ে মিষ্টিমুখ। রিষড়া পৌরসভার প্রশাসনিক প্রধান বিজয় সাগর মিশ্র, প্রাক্তন কাউন্সিলার মনোজ গোস্বামী, অভিজিত্‍ দাস, সহ যুব নেতা সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায় প্রমুখদের দেখা জুয়ায় পথচলতি মানুষদের মিষ্টিমুখ করাতে, এবং শোনা যায় জয় বাংলা, জয় মা মাটি মানুষ ইত্যাদি স্লোগান।

অপরদিকে জেতার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন- ভবানীপুরের সব মা ভাই বোনেদের অভিনন্দন এবং সেলাম জানাচ্ছি। আপনারা জানেন ভবানীপুরে ভোটার কম। ১লক্ষ ১৫ হাজারের মতো ভোট পড়েছিল। বরং সামসেরগঞ্জ জঙ্গিপুরে ভোট পড়েছিল অনেক বেশি। ২০১১ সালে  ৫৪ হাজার ভোটে জিতেছিলেন।

গত নির্বাচনে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ২৮ হাজার ভোটে জিতেছিলেন। এবার আমরা ৫৮ হাজারের বেশি ভোটে জিতেছি। ভবানীপুরবাসীকে অভিনন্দন। কোনও ওয়ার্ডে হারিনি। আমার মন ভরে গিয়েছে কারণ ভবানীপুর দেখিয়ে দিল। সব নির্বাচন জিতেও একটা জিতিনি, বাংলার মন খারাপ হয়েছিল। অনেক চক্রান্ত ছিল। ভবানীপুর সবাইকে জব্দ করে দিয়েছে। ভবানীপুর আমাকে আরও কাজ করার প্রেরণা জুগিয়েছে, আমি চিরঋণী।