Site icon Sambad Pratikhan

রাজ্যের মন্ত্রীর আচরণের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা ও মানহানির মামলার হুমকি দিলেন স্বয়ং বিধায়ক

Advertisements

রাহুল আঢ‍্য , বসিরহাট:  বসিরহাট মহকুমার সন্দেশখালির সরবেড়িয়াতে গত ১৬ই জুলাই শুক্রবার ইয়াশের ত্রাণ দিতে গিয়ে দুর্গতদের হাতে আক্রান্ত হন রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দীকুল্লাহ্ চৌধুরী। যার জেরে কখনো দক্ষিণ ২৪ পরগণার ভাঙড়ে, আবার কখনো উত্তর ২৪ পরগণার খোলাপোতার টাকি রোডে, কখনো বা ইটিন্ডা রোডে মন্ত্রী আক্রান্ত ঘটনার প্রতিবাদে অবরোধ হয়। পাশাপাশি এই ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবীতে অনড় গ্রন্থাগার মন্ত্রী। আক্রান্ত ও হেনস্তার ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের সন্দেশখালি বিধানসভার আহ্বায়ক শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে বারবার প্রশাসনের কাছে দরবার করেছেন তিনি। বসিরহাট পুলিশ জেলার পুলিশ সুপারের কাছে নির্দিষ্ট নামের তালিকা দিয়ে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন তিনি। যদিও এই ঘটনায় মন্ত্রী সিদ্দীকুল্লাহ্ চৌধুরীর আচরণে ক্ষুব্ধ তৃণমূলের একটা অংশ। তারা বলেন, “মন্ত্রী কোনো কিছু না জানিয়ে এসেছেন। ইয়াশের ৪৫ দিন পরে তিনি কেন সুন্দরবনে আসলেন? স্থানীয় বিধায়ক, সভাপতি সহ একাধিক নেতৃত্বকে তার আসার কথা গোপন রেখে, এমনকি প্রশাসনকে না জানিয়ে কেন দুর্গতদের কাছে আসলেন? সেখানে পর্যাপ্ত ত্রাণও ছিল না, যার জন্য দুর্গতরা লুট করেছে। তিনি চক্রান্ত করে স্থানীয় বিধায়ক এবং ব্লক সভাপতি শেখ শাহজাহানের নামে কুৎসা করছেন।” তাই এবার তৃণমূল কংগ্রেস আইনি ব্যবস্থা ও মানহানির মামলা করার পথে হাঁটবেন বলে জানিয়েছেন সন্দেশখালির বিধায়ক সুকুমার মাহাতো ও উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের সদস্য শিবপ্রসাদ হাজরা। এদিকে সিদ্দীকুল্লার আচরণে তার সংগঠন জমিয়ত উলেমা হিন্দের সদস্যরা মন্ত্রীর বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তারা জানান, “যেভাবে চক্রান্ত করে একটি রাজনৈতিক দলকে কালিমালিপ্ত করা হচ্ছে। উনি এইসব বন্ধ না করলে আগামী দিনে আমরা ওনার বিরুদ্ধে বৃহত্তর আন্দোলনে নামব।” সবমিলিয়ে সন্দেশখালির ত্রাণ কান্ডে মন্ত্রী ও স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের মধ‍্যে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে।

Exit mobile version