অপরদিকে গত বছরের মতো এই বছরেও শ্রীরামপুর লোকসভার সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এই মন্দিরের নারায়ণের শালগ্রাম শিলা যথাযোগ্য শ্রদ্ধা সহকারে ১ কিলোমিটার পথ পদব্রজে অতিক্রম করে মাসিরবাড়ির মন্দিরে নিয়ে যান। এর আগে মাহেশ জগন্নাথ মন্দির কমিটির পক্ষে বর্তমান প্রধান সেবাইত সৌমেন অধিকারী সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে নারায়ণের শালগ্রাম শিলার সিংহাসন তুলে দেন। গত বছরের মতোই এই বছরেও আড়ম্বরহীন পরিবেশে জগন্নাথের মূল মন্দির থেকে মাসীর বাড়ি নারায়ণের শালগ্রাম শিলাকে মাসির বাড়ি পৌছে দিলেন সাংসদ। অপরদিকে এই জেলারই অন্যতম আর এক প্রাচীন রথযাত্রা গুপ্তিপাড়ার রথ। যে রথের বয়স ২৮১ বছর। এই বছরেও ঠিক একই কারণে গত বছরের মতোই এখনকার ঐতিহ্যমণ্ডিত রথের চাকাও গড়ায় নি আজ। গুপ্ত বৃন্দাবন হিসাবে খ্যাত এই গুপ্তিপাড়ার মঠের জগন্নাথ বলরাম ও সুভদ্রার মূর্তি এই বছরের রথে চেপে মাসির বাড়ি যেতে পারলেন না। শুধুমাত্র পূজা পাঠ করেই পালন করা হল গুপ্তপল্লী বা গুপ্তিপাড়া এই বছরের রথ উত্সব।
করোনা আটকে দিল জগন্নাথের রথের চাকা পরপর দুই বছর
Advertisements
