খবর

অভিনব প্রতিবাদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

mamtaসঞ্জয় মুখোপাধ্যায়: পেট্রো পণ্যের লাগামছাড়া মূল্যবৃদ্ধির অভিনব প্রতিবাদ করলেন এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । ইলেকট্রিক স্কুটারে নবান্নে গেলেন তিনি। স্কুটি চালালেন কলকাতা পুরসভার প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম । আর পিছনের আসনে বসে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছিল না কোনও স্লোগান,  ছিল না চড়া সুর। দ্বিতীয় হুগলি সেতুর ওপর দিয়ে আমজনতার মতো স্কুটারে চেপে নিজের দফতরে গেলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। সাদা শাড়ি, মাথায় নীল হেলমেট। ফিরহাদ হাকিমের পরনেও ছিল সাদা কুর্তা। তবে দু’জনের গায়েই দেখা গিয়েছে ফেস্টুন। আর সেখানেই ফুটে উঠেছে পেট্রো পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদের ভাষা। এদিন হুগলি সেতুর ওপর সে অর্থে বিশেষ কোনও নিরাপত্তার ব্যবস্থাও চোখে পরেনি। ফিরহাদ হাকিমের ইলেকট্রিক স্কুটারের চার-পাঁচটা গাড়ির পিছনেই ছিল সাধারণ অফিস যাত্রীদের গাড়ি। তাঁদের দেখে একবার হাত নাড়াতেও দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে। বেলা ১১.৪৯ মিনিটে নবান্নে ঢোকেন তিনি।  নবান্নে পৌঁছে মুখ্যমন্ত্রী স্কুটারে চালকের আসনে বসে মাইক ধরেন। তারপর সুর চড়ান পেট্রো পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে। তিনি বলেন, বিশাল ভাঁওতা, সাধারণ মানুষের পকেট কাটা, অসহায় অবস্থায় ফেলে দেওয়ার চক্রান্ত হচ্ছে। রান্নার গ্যাসের দাম যেভাবে বেড়ে চলেছে তার ফলে সাধারণ মধ্যবিত্তের অবস্থা শোচনীয় হয়ে উঠেছে পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন একজন মধ্যবিত্ত পরিবারে মাসে দুটি করে গ্যাস লাগে সে ক্ষেত্রে ১৬৫০ টাকা ব্যয় হবে যা একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষে অসম্ভব কেন্দ্রীয় সরকার তথা দেশের প্রধানমন্ত্রী আস্তে আস্তে সবকিছুই বেছে দিচ্ছে বিমানবন্দর বি এস এন এল প্রোতাশ্রয় রেল নাজানি দেশটার নামো কবে বদলে দেবে বলেও এদিন মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপিকে ঠুকে তিনি বলেন, “ভোট এলেই বলে বিনা পয়সায় গ্যাস দেবে।” প্রসঙ্গত স্কুটারের চেপে যাত্রা করার ঘটনা এর আগেও চোখে পড়েছিল। নন্দীগ্রামে যাওয়ার সময় তিনি ছত্রধর মাহাতোর বাইকে করে তিনি নন্দীগ্রামে প্রবেশ করেছিলেন। আর এইদিন কলকাতা পুরসভার প্রশাসক ফিরহাদ হাকিমের স্কুটারে তিনি প্রবেশ করেন।