খবর

একদল তরতাজা যুবক যুবতীর স্বপ্নের ‘স্মাইলী’ প্রান্তিক শিশুদের পাশে

Untitled-1

স্বরূপম চক্রবর্তী: আমরা নতুন যৌবনের দল….. আমরাই পারি এই ঘূণ ধরা সমাজের বুকে নতুন সুরে-ছন্দে নতুন ভাবে নতুন যুগের ভোর আনতে। অথচ আমাদের কথা কি কেউ সেভাবে ভাবে, আজ সকলেই ব্যস্ত তাঁদের স্বপ্ন পূরণে আমাদের ইঁদুর দৌড়ে অবগাহন করাতে। অথচ আমাদেরও যে একটা মন আছে, আমাদের ও যে এই সমাজের জন্য কিছু দায়-দায়িত্ব আছে তাঁর খবর করা রাখেন।আমাদের সমাজের যুব সম্প্রদায় আয কিছুটা হলেও দিশেহারা, তাঁরা তাঁদের প্রাত্যহিক জীবনে এতটাই জড়িয়ে রয়েছে যে তাঁরা আজ ভুলতে বসেছে তাঁদের বয়সী বা তাঁদের থেকে ছোট এই সমাজে এমন বালক-বালিকারা আছে যাঁরা নিজেদের ও নিজেদের পরিবারের অন্নের সংস্থানে তাঁদের পিতা-মাতার সঙ্গে সমান ভাবে নিজেদের জড়িয়ে নিয়ে বিসর্জন দিয়েছে তাঁদের শৈশব।

আরও পড়ুন: এই মূহুর্তে রাজনীতিতে বেশ কিছু উন্মাদের জণ্মলাভ হয়েছে-পার্থ চট্টোপাধ্যায়

আরও পড়ুন:  সম্পুর্ন মহিলা রক্তদাতাদের নিয়ে রক্তদান শিবির জোকায়

আমাদের সমাজের এমন কিছু পিছিয়ে পড়া প্রান্তিক সমাজের বালক-বালিকাদের একটু খুশির সময় উপহার দিল হুগলি জেলার প্রাচীন শহর বৈদ্যবাটির একদল তরতাজা তরুণ –তরুণী, সম্পুর্ন তাঁদের মানবিক ও ঐকান্তিক প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে। নিজেদের পড়াশোনার মাঝে তাঁরা সমাজের জন্য, সমাজের সেই সকল মানুষগুলির পাশে দাঁড়াতে আজ বদ্ধপরিকর। তাই তাঁরা গত বছর ২০১৯ এর ২৫ ডিসেম্বর নিজেরা বানিয়ে ফেলেছিল স্মাইলী নামক এমন এক সংগঠন যাঁদের মূল লক্ষ্য সমাজের সেই সকল পিছিয়ে পড়া মানুষদের পাশে থাকা। এই মূহুর্তে তরতাজা এই যুবদলের সঙ্গে একত্রে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করতে এগিয়ে এসেছে ৪০ জন টগবগে যুবক-যুবতী।

gif advt

আর এই দলটি তাঁদের দ্বিতীয় বর্ষ পূর্তিতে স্থানীয় ইঁটভাটায় কর্মরত শ্রমিকদের সেই সকল ছোট্ট ছোট্ট শিশুগুলির মুখে উত্‍সবের দিনে হাসি ফোটাতে নিজেরা নিজেদের হাত খরচের টাকা জমিয়ে ও সকলের কাছে থেকে সামান্য সাহায্য সংগ্রহ করে ঐ সকল প্রান্তিক শিশুদের হাতে তুলে দিল পোশাক ও খাবার। আজ যখন আমরা এতটাই আত্মকেন্দ্রিক হয়ে আমাদের প্রতিবেশী মানুষগুলির দুঃখ-কষ্টে তাঁদের পাশে থাকতে ভুলে গেছি ঠিক সেই সময় বৈদ্যবাটির ঐ ৪০টি তরতাজা তরুণ যুবক-যুবতী যেন আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল ইচ্ছা থাকলে সমাজের জন্য কিছু করা যায়। আর তাঁদের এই মহান কাজে তাঁদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলেন প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক ও স্থানীয় এলাকার একটি সুপ্রাচীন পত্রিকার সম্পাদক কৃষ্ণচন্দ্র ভড়।  

আরও পড়ুন:  আমরাই ভারতের সকল মহাপুরুষদের যোগ্য সম্মান দিয়েছি- দিলীপ ঘোষ

আরও পড়ুন:  বড়দিনে শিশুদের উপহার করিমপুরে

Untitled-2