Site icon Sambad Pratikhan

আলু কিনতে এবার ‘দম’ লাগবে

Advertisements

সুস্মিতা মুখার্জী, সংবাদ প্রতিখন:  যত দিন যাচ্ছে, আলুরদম তো দূরের কথা, সেদ্ধ আলু খাওয়ার আগেও দশবার ভাবতে হচ্ছে মধ্যবিত্ত থেকে গরিব মানুষজনকে। বাজারে আলুর দাম যে হারে বাড়ছে, তাতে পকেটে টান পড়তে শুরু করেছে আম জনতার। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে দফায় দফায় দাম বেড়েছে আলুর। কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের মধ্যে আলু পেঁয়াজ না থাকায় আলুর দাম রাজ্যে  এতটাই বেড়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন টাক্সফোর্সের সদস্য রবীন্দ্রনাথ কোলে। তিনি জানিয়েছেন, ক্রমাগত আলুর দাম বেড়েই চলেছে। প্রচুর পরিমাণে আলু উৎপাদন হয়েছিল এবং মজুদ ছিল। কিন্তু এই মুহূর্তে আলু রাজ্য থেকে বাইরে বেরিয়ে যাচ্ছে এবং পাঞ্জাব থেকে যে আলু রাজ্যে প্রবেশ করছে তার দাম অতিরিক্ত মাত্রায় বেশি। ফলে সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য খুবই অসুবিধা হচ্ছে। তিনি জানিয়েছেন, যতক্ষণ না পর্যন্ত নতুন আলু উঠছে আলুর দাম এমনটাই বেশি থাকবে।

জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে নতুন আলু উঠলে তখন যদি কিছুটা হলেও আলুর দাম কমে। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে হোলসেল বাজারে ৪০ টাকা দামে আলু বিক্রি হচ্ছে এবং দোকানদাররা ৪২ থেকে ৪৫ টাকার মধ্যে বিক্রি করছেন। অন্যদিকে চন্দ্রমুখী আলুর দাম আরো বেশি। তাই মানুষকে আলুর ব্যবহার কমিয়ে শীতের সবজি খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন রবীন্দ্রনাথ বাবু। তিনি জানিয়েছেন, শীতের সবজি উঠেছে এবং দাম অনেক কম। তাই আলুর ব্যবহার কমিয়ে ফেলতে হবে যতক্ষণ না পর্যন্ত আলুর দাম কমছে।

অন্যদিকে পেঁয়াজের দাম দশ পনেরো দিনের মধ্যে কমে যাবে। কারণ নাসিক থেকে অনেক পেঁয়াজ এই মুহূর্তে রাজ্যে প্রবেশ করছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে এর পাশাপাশি তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন তুলে ধরেছেন। তিনি জানিয়েছেন, আগামীকাল অর্থাৎ ২৬শে নভেম্বর ধর্মঘট দেশজুড়ে। কিন্তু তিনি সমস্ত মেম্বার এবং দোকানদারদের জানিয়েছেন কোনরকম ভাবে ব্যবসা দোকান বন্ধ রাখা যাবেনা। করোনার সময লকডাউন চলাকালীন অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তাদের এবং পুজোর সময়ে ব্যবসা ভালো হয়নি। তাই একদিন ধর্মঘটের জন্য দোকান বন্ধ রাখলে অনেক ক্ষতি হবে, তাই তিনি সবাইকে জানিয়েছেন দোকানপাট খোলা রাখার। এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে আলুভাজা থেকে শুরু করে আলুপোস্ত কোনোটাই আমজনতার খাওয়ার পাতে থাকবে কিনা সেই চিন্তাই এখন ভাবাচ্ছে।

Exit mobile version