খবর

দেবানন্দপুরে শরৎচন্দ্রের ১৪৫ তম জন্মদিবস পালন

cd269eb1-e4ff-4b04-93f3-41dc0f9017a9নিজস্ব সংবাদদাতা: কথাশিল্পী  শরৎচন্দ্র  চট্টোপাধ্যায়ের জন্মভূমি  দেবানন্দপুর গ্রাম রাজ্যবাসীর কাছে বিশেষভাবে পরিচিত। আজও অমর কথাশিল্পী  শরৎচন্দ্রের স্মৃতিতে গৌরবান্বিত  এই গ্রাম। আজ দেবানন্দপুরে শরৎচন্দ্রের ১৪৫ তম জন্মদিবসটি করোনা বিধি মেনে সংক্ষিপ্ত আকারে পালন করার আয়োজন করে প্রশাসন। আজকের দিনে ছিল না প্রভাতফেরী, ছিলনা সাহিত্যসভা, আর ছিলনা কোন ভিভি আই পি মানুষের উপস্হিতি।  শরৎমূর্তিতে মাল্যদান করেন বিধায়ক অসিত মজুমদার, পঞ্চায়েত  সমিতির সভাপতি দিলীপ দাস, প্রধান তুলিকা সরকার সহ বিশিষ্ট জনেরা। অনুষ্ঠানে ছিল না কোন উৎসাহ উদ্দীপনা। তবে  দেবানন্দপুর  শরৎ  জন্ম স্থান নিয়ে  সেই অবহেলার ছোঁয়া রহেই গেছে বলে অভিযোগ। দেবানন্দপুরকে ঘিরে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার প্রসঙ্গ উঠলেও তা বারবার থেমে গেছে। শরৎপ্রেমীদের কাছে জন্মভূমি  দেবানন্দপুর গ্রামের প্রবেশপথে শরৎ তোড়ণ, শরৎচন্দ্র  নামাঙ্কিত  শিশুদের পার্ক, বহু প্রতিক্ষিত শরৎ পর্যটক আবাস নির্মাণ স্বপ্নই থেকে গেছে। এমনকি শরৎ জন্মভূমিতে পাঠাগারটি এখন পর্যন্ত গ্রামীন খোলস ত্যাগ করে শহর পাঠাগারের স্বীকৃতিটুকু পায়নি। অথচ এই দেবানন্দপুরই পর্যটক এবং শরৎপ্রেমীদের কাছে আকর্ষণীয় স্হান।  প্রতি বছর  এই আজকের দিনে অর্থাৎ ৩১  শে ভাদ্র কথাশিল্পীর জন্মদিনে  সরকারী খরচে কিছু অনুষ্ঠানও হয়। আবার জন্মদিন মিটতে না মিটতে স্মৃতিতে ধুলো জমতে থাকে। প্রতি বছরই প্রতিশ্রুতি  মিলেছে কিন্তু প্রতিশ্রুতি  কবে পূরণ হবে তার সদুত্তর  পাননি গ্রামবাসীসহ শরৎপ্রেমীরা। তবুও এই দেবানন্দপুরকে ঘিরে পর্যটন কেন্দ্র  গড়ে উঠবে সেই আশাতেই বুক বাঁধছেন দেবানন্দপুরবাসীসহ শরৎপ্রেমীরা।

advt-5advt-4advt-1advt-2advt-3