খবর

“শিবঠাকুরের আপন দেশে, আইন কানুন সর্বনেশে”- রাজ্যের ও দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বললেন বাম পরিষদীয় নেতা ডঃ সুজন চক্রবর্তী

sujon-chakrabortyএই মূহুর্তে আমাদের রাজ্যের অন্যতম প্রধান বিরোধী মুখ সিপিআইএমের ডঃ সুজন চক্রবর্তী। তিনি সম্প্রতি রাজ্যের বেশ কিছু এলাকার বেহাল রাস্তা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন বিষয়টির আশু সমাধ্যান করার জন্য। সংবাদ প্রতিখনের সাংবাদিক অনিমেষ মল্লিকের সঙ্গে এক সাক্ষাত্‍কারে সুজন বাবু রাজ্যের বেহাল পথ ঘাট ও সারা দেশে চলা আনলক ডাউন ৪ সম্পর্কে যা বললেন-

সংবাদ প্রতিখন: আপনি সম্প্রতি এই রাজ্যের বেশ কিছু এলাকার রাস্তার বেহাল দশা নিয়ে তার আশু সমাধানের জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন এই বিষয়ে আমাদের পাঠকদের জন্য আপনি কি বার্তা দিতে চাইবেন?

ডঃ সুজন চক্রবর্তী: দেখুন আমাদের রাজ্যে এই মূহুর্তে এমন একটি সরকার চলছে যাঁদের কোনও রকম সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেই, আর রাস্তার কথা যতটা না বলা যায় ততটাই ভাল। আমাদের রাজ্যের কলকাতার উপকণ্ঠের বেশ কিছু রাস্তার হাল চলাচলের অযোগ্য এ কথা কোন অংশেই ভুল নয়। রাস্তাঘাটের হাল খুবই খারাপ। রাজ্যজুড়েই বেহাল দশা, মেরামতির পর কিছুমাস রাস্তার উপরিভাগ চকচক করে কিন্তু ছ-আট মাসের মধ্যেই কঙ্কালসার চেহারা হয়ে যাচ্ছে, এর পেছনে কি  শুধুই পার্সেন্টেজের অঙ্ক? তোলাবাজীর চূড়ান্ত। উন্নয়নের পেল্লায় চেহারা যদি দেখতে চান তাহলে শাসকদলের কাউন্সিলার, সদস্য, নেতাদের বাড়িতে যান, দেখবেন উন্নয়ন ঝুলে পড়েছে। এটা আজকের সময়ে একদম ওপেন সিক্রেট।

সংবাদ প্রতিখন: সারা দেশে চালু হয়েছে আনলক ডাউন ৪, এই সময়ে আমদের দেশের কেন্দ্রীয় সরকার বেশ কিছু নিয়ম কানুন জারি করেছেন, এই বিষয়ে আপনার মত?

ডঃ সুজন চক্রবর্তী: চুড়ান্ত অ-পরিকল্পনা। অপরিকল্পনার চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছে গেছে, দিল্লিও পরিকল্পনা হীন ভাবে চলছে, রাজ্যেও তাই এক ই অপরিকল্পনা হীন ভাবে যাচ্ছে, এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাধারণ মানুষ, ভারতবর্ষ এতো বড়ো একটা দেশ, সবটা কি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর অনুমতি নিয়ে চলতে হবে, এটা একপ্রকারের দাদাগিরি চলছে, অন্য রাজ্যেগুলির সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ কে মিলিয়ে ফেললে চলবে না, সমস্ত রাজ্যের আলাদা আলাদা ব্যাপার আছে, মানুষের গণতন্ত্র কে কেড়ে নিয়ে চোখ রাঙানো মনোভাব চলছে

সংবাদ প্রতিখন: আনলক ৪ এ বলা আছে রাজনৈতিক সভা করা যাবে ১০০ জন কর্মী নিয়ে কি বলবেন?

ডঃ সুজন চক্রবর্তী: এই বিষয়টি হচ্ছে, “শিবঠাকুরের আপন দেশে, আইন কানুন সর্বনেশে” এই করোনা পরিস্থিতিতে যখন এসব ছিলনা তখন কি কেউ কোনও নিয়ম মেনেছেন? তৃণমূল হলে রাজ্যে সব ছাড়, আর বিজেপি হলে দিল্লিতে সব ছাড়, এমনকি বামপন্থীরা বা বিরোধীরা হলে, গ্রেপ্তার হবে নানা বিভিন্ন কেস দেবে, এই রাজ্যের বিরোধী বাম নেতা বিমান বসু পর্যন্ত গ্রেপ্তার হয়েছেন, কাজেই কি চলছে সেটা কি আর বলার অপেক্ষা রাখে।

advt-5advt-4advt-1advt-2advt-3