করোনা প্রতিরোধে হুগলি জেলা

78ca30af-639b-40ca-a8f1-818291a0adfbপ্রবীর বোস ও অনিমেষ মল্লিক, হুগলি: হুগলি জেলায় প্রথম পঞ্চায়েত এলাকায় শুরু হলো থার্মাল স্ক্রিনিং। রবিবার সকালে কোন্নগর কানাইপুর গ্রামপঞ্চায়েত প্রধান আচ্ছেলাল যাদবের উদ্যোগে শুরু হলো মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে থার্মাল স্ক্রিনিং এর মাধ্যমে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার কাজ। আগামী দশ দিনের মধ্যে পুরো কানাইপুরে প্রত্যেক মানুষের এই পরীক্ষা সম্পূর্ণ করে নেওয়া হবে বলে জানায় পঞ্চায়েত প্রধান। এদিন যার শরীরের তাপমাত্রা বেশি দেখা যায় তাকে সাথে সাথে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। জেলার প্রথম কোনো পঞ্চায়েত এলাকায় এই থার্মাল স্ক্রিনিং শুরু হওয়ায় খুশি সাধারণ মানুষ। অপরদিকে এখনও এই জেলার চন্দননগর ও ভদ্রেশর থানার এলাকার বেশকিছু জায়গায় লক ডাউন মানছেন না অনেকেই। মোড়ে মোড়ে, গাছের তলায়, মাঠের মধ্যে তাস খেলা বা লুডো খেলার অছিলায় দূরত্ব বজায় না রেখে মাস্ক  বাবহার না করে চলছে আড্ডা।

অন্যদিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেল্ন এই জেলার বেশ কিছু ব্যবসায়ীও। এমনি এক ব্যবসায়ী চন্দননগর শহরের প্রসিদ্ধ মিষ্টান্ন ব্যবসায়ী শৈবাল মোদক। চন্দননগর শহরের গরীব মানুষের হাতে সপ্তাহে দুদিন অন্ন সামগ্রী বিতরণ করছেন তিনি। ইতিমধ্যেই তাঁর কাছে প্রচুর গরীব মানুষের নাম নথিভুক্ত হয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন শৈবাল মোদক। তিনি আরো জানান তিনি নিজে তাঁর সামর্থনুযায়ী চাল, আটা, তেল, ডিম, মুসুরডাল, সোয়াবিন, পিয়াজ ও আলু এই আট রকমের সামগ্রী প্রদান করছেন। শৈবালবাবু বলেন ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে কিছু মানুষের সত্যই সাহায্যের প্রয়োজন, কিন্তু তাঁরা মুখ ফুটে বলতে পারছেন না, তাঁদের উদ্দেশ্যে জানাই, আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন আমরা আপনাদের পাশে থাকতে চেষ্টা করছি’।

এই জেলার মিনি ভারত হিসাবে খ্যাত রিষড়া পৌরসভার পুরপ্রধান বিজয় সাগর মিশ্র পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে নিজে মাইক প্রচার করছেন তার পৌরসভা এলাকার জনগণ যেন সচেতন হয়ে করোনার বিরুদ্ধে তাঁদের এই লড়াই কে স্বার্থক করে তোলেন।  রিষড়া পৌরসভা এলাকায় রাতে রিষড়ার পৌর এলাকায় স্যানিটাইজ করতে দেখা গেল। তবে এটাও দেখা গেল নিয়েই স্যানিটাইজ করতে যে গাড়ি ব্যবহার করা হয়। সেই গাড়ি নিজেই চালিয়ে এক ওয়ার্ড থেকে অন্য ওয়ার্ডে স্যানিটাইজ করতে। এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে অনেকেই বলেন, জেলা তথা অনান্য জেলার পৌরসভার অনেক পুরপ্রধান দেখেছি কিন্তু এই ভাবে নিজের হাতে গাড়ি চালিয়ে স্যানিটাইজ করতে দেখা যায় নি। এমনিতেই রিষড়া পৌরসভা এলাকায় রিষড়া থানা ও রিষড়া পৌরসভার মিলিত প্রচেষ্টায় শুরু হয়ে গেছে ড্রোনের সাহায্যে করোনার লক ডাউন মানাতে কড়া নজরদারী।

error: Content is protected !!

Discover more from Sambad Pratikhan

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading