খবর

করোনার বাংলা-বাংলার করোনা

চলছে লক ডাউন। তার মধ্যে গতকাল রাতে প্রধানমন্ত্রীর আহবানে মোমবাতি সহ প্রদীপ জ্বালিয়ে ও আতশবাজি সহকারে আমরা অক্ষরে অক্ষরে মেনেছি দেশের প্রধানমন্ত্রীর আবেদন। এই দুদিনের বিভিন্ন খবরে আসুন একটু চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক।  

আলো নেভানোর সঙ্গে পালিত হল বাজি উত্‍সব

qwertyyপ্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশবাসীর কাছে অনুরোধ করেছিলেন আজ রাত্রি নটার সময় ঠিক ন মিনিটের জন্য ঘরের সমস্ত আলো নিভিয়ে দিয়ে, বাড়ির বারান্দায় অথবা ফ্ল্যাটের / বাড়ির ব্যালকনিতে প্রদীপ, মোমবাতি, মোবাইলের ফ্ল্যাশ অথবা টর্চের আলো জ্বালাতে। কিন্তু দেশবাসী প্রধানমন্ত্রীর কথায় এতটাই উচ্ছসিত হয়ে উঠলেন তারা ভুলেই গেলেন করোনার প্রভাবে সারা দেশে লক-ডাউন চলছে, এই মুহূর্তে করোনা প্রাণ কেড়ে নিয়েছে সারা দেশের বেশ কয়েকজনের এবং এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা দিনদিন বেড়েই চলেছে সারা দেশে।  নাগরিকবৃন্দ সব ভুলে একত্রিত হয়ে পালন করলেন অকাল দেওয়ালি, আতসবাজি থেকে শুরু করে শব্দ বাজি চকলেট বোম থেকে শুরু করে দোদোমা বাদ গেলো না কিছুই। কোথাও আবার দেখা গেল মানুষকে মোমবাতি জ্বালিয়ে ঘণ্টাও বাজাতে। মানুষের এতো বেপরোয়া ও দায়িত্বহীনতার দায় কার?

প্রধানমন্ত্রীর আবেদনে সারা দিয়ে মোমবাতি, টর্চ জ্বালালো না চন্দননগর

Untitledকরোনা ভাইরাসের আতঙ্কে আতঙ্কিত মানুষ। এই মারণ ভাইরাসের মোকাবিলায় দেশজুড়ে চলছে লক ডাউন। এই পরিস্থিতিতে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী আবেদন জানিয়েছিলেন রবিবার রাত নটা থেকে নয় মিনিট ঘরের আলো নিভিয়ে মোমবাতি, টর্চ বা মোবাইলের ফ্ল্যাশ জ্বালানোর জন্য। এই আবেদনে সারা দিয়ে হুগলি জেলার বহুমানুষ ঘরের আলো নিভিয়ে মোমবাতি জ্বালালেন। তবে চন্দননগর সহ হুগলি জেলার বেশ কটি এলকায় সেভাবে মোমবাতি  বা প্রদীপ বা মোবাইলের আলো জ্বলতে দেখা গেল না।

রান্না করে খাবার তুলে দিচ্ছেন যাঁরা

e64fda52-cd2f-4323-9d38-fe8dcc9f0adaচুচূড়ার নেতাজী সুভাষ রোডের উজ্জ্বল সংঘ, তাদের সদস্যরা গত ৪ এপ্রিল থেকে হুগলি শহরের ও শহরের লাগোয়া বিভিন্ন রেল স্টেশনের চারপাশে ও চুচূড়া শহরের এলাকায় গরীব মানুষদের হাতে রান্না করা খাবার বিলি করছেন। গত দুদিনে প্রায় দু হাজারের মত গরীব মানুষের হাতে খাবার তুলে দিলেন। তারা এই কর্মকাণ্ড চালাবেন আগামী ১৪ এপ্রিল পযন্ত।

লক ডাউনে গ্রেপ্তার ১৫০ জন

asdasaaaaশনিবার রাতে চন্দননগর, ভদ্রেশর, রিষড়া সহ বিভিন্ন থানার এলাকায় চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের পুলিশ লক ডাউন না মানার জন্য ও বিভিন্ন জায়গায় বাড়ীর বাইরে বিনা কাজে ঘোরার ও এক সাথে আড্ডা মারার জন্য মোট ১৫০ জনকে গ্রেফতার করে। চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের লক ডাউনের সময় এই অভিযান প্রসঙ্গে চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক জানান আমারা এলাকার মানুষের মধ্যে বিভিন্ন ভাবে প্রচার করেছি। কখনো মাইক প্রচার, কখনো লিফলেট বিলি এছাড়াও বাজারে বাজারে গিয়ে মানুষের মধ্যে লক ডাউন মানার জন্য প্রচার করেছি। কিন্তু মানুষের মধ্যে অনেকেই তা মানছেন না।  তাই আমরা লাঠি উচিয়ে বা অন্য রকম পদ্ধতি অবলম্বন করতে হচ্ছে। যাতে তারা একটু সজাগ থাকতে পারে। গ্রেফতার করাটা বড় কথা নয়। এদের কে একটু লক ডাউনের শিক্ষা দেওয়ার জন্যইএই অভিযান।

লক ডাউন কি উঠে গেল হুগলির কোন্নগরে

bc9dd330-2287-4ecb-8335-abe4a9a3f9caকরোনা ভাইরাসের ভয়াল থাবায় আতঙ্কিত সারা পৃথিবীর মানুষ। এই মারণ ভাইরাস মোকাবিলায় লক ডাউন চলছে দেশজুড়ে। বিনা কারণে মানুষকে বাড়ির বাইরে বেরোতে নিষেধ করা হচ্ছে প্রশাসন ও চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে। কিন্তু হুগলির কোন্নগরের স্টেশন এলাকার রবিবারের ছবি দেখলে সকলের মনে হবে লক ডাউন হয়তো উঠে গেছে। সকাল থেকেই মানুষের ভিড়। বাইক, গাড়ি, সাইকেল নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে বহু মানুষ। কবে সচেতন হবে মানুষ উঠছে প্রশ্ন।

নিশান হাটে ৫০৫ টি পরিবারের হাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র

cb0c79cb-9c82-4b60-833e-099e2faf61d3দুর্গাপুর কর্পোরেশনের ১৮ নং ওয়ার্ডের নিশান হাটে ৫০৫ টি পরিবারের হাতে চাল, ডাল, আলু, সাবান আর কিছু নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র তুলে দিলেন দুর্গাপুরের প্রাক্তন বিধায়ক ও মেয়র মাননীয় অপূর্ব মুখার্জি মহাশয়। এই উপলক্ষে উপস্থিত ছিলেন ১৮ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দীপালী মন্ডল ও বিদুৎ মন্ডল মহাশয় ও দুর্গাপুর ২ নং ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের বিভিন্ন শাখার সভাপতিরা। আজ এক ব্যাবসায়ী প্রাক্তন বিধায়ক তথা মেয়র মাননীয় অপূর্ব মুখার্জির হাতে ১০ হাজার টাকার চেক তুলে দেন রাজ্যের ত্রান তহবিলের জন্য।

দুঃস্থদের পাশে কেজে দিশারী

5dd90858-1457-4bfa-89d1-fdc6fcbca71bনদীয়া জেলার করিমপুরের স্বেচ্ছাসেবি বেসরকারি সংগঠন কে জে দিশারী ওয়েলফেয়ার সোসাইটি করোনার কারণে চলা লক ডাউনের সময়ে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা কেজিবি’র ওয়েলফেয়ার সোসাইটি ওই এলাকার দুঃস্থদের হাতে ময়দা লবণ সহ নানা খাদ্যদ্রব্য তুলে দিলেন।

সংবাদ প্রতিনিধি: আশীষ প্রামানিক, প্রবীর বোস, অনিমেষ মল্লিক ও অভিজিত্‍ দাস

advt-for-webadvt-3advt-21efab-9a4f02_51435a5163204d4c9eb67ab6f3a56a68mv23b749-9a4f02_0a1a6303df76450fb31ff36c7368e2a1mv292a03-9a4f02_3b93dab5c7d14f67afae52ceac3ab2d5mv28032e-9a4f02_f30a731df9274bea8c5fcc56307228d4mv2_d_1801_1201_s_209828-9a4f02_2afa9dc21c6840f781c9711a60cb7e45mv2