তবে ব্যতিক্রম সব ক্ষেত্রেই বিরাজ করে আর এই ব্যতিক্রমী মানুষ গুলি আছে বলেই আমাদের সমাজে এখনও সুস্থ সামাজিকতা ও সুস্থ সংস্কৃতি নিরবিচ্ছিন্ন আছে সম্পূর্ন নিজস্বতা রক্ষা করে। লেখা শুরু করেছিলাম প্রকাশনা সংস্থার আলোচনা দিয়ে আর এই লেখার মূল উপস্থাপনাও ঠিক সেই কারণে।
বর্তমান ভারতে প্রকাশনা ব্যবসায় যে সকল সংস্থা বা ব্যক্তি যুক্ত রয়েছেন তাদের মধ্যে অন্যতম হিসাবে নিজেদের স্থান করে নিয়েছেন লিটেরোমা নামক কলকাতার প্রকাশনা সংস্থা। যাঁরা শুধুমাত্র পুস্তক প্রকাশ করেন না, তাঁরা রীতিমতো প্রতিনিয়ত সচেষ্ট আমাদের অখণ্ড ভারতের সংস্কৃতি রক্ষা করতে তাঁদের সীমাবদ্ধ ক্ষমতার মধ্যে।এমনই এক নিদর্শন আবারও দেখা গেল ২০১৯এর শেষ লগ্নে বর্তমান কলকাতার অন্যতম প্রাণকেন্দ্র নিউটাউনে; নিউটাউন বই মেলার আসরে।
২৯ ডিসেম্বর কলকাতা সাক্ষী হয়ে রইল লিটেরোমা আয়োজিত দীর্ঘ চার ঘন্টার পরিশীলিত এক অনুষ্ঠানের। এই অনুষ্ঠান সমৃদ্ধ ছিল নবীন-প্রবীণ লেখক ও কবিদের পুস্তক প্রকাশ, অনুর্দ্ধ আঠারো কিশোরী’র পুস্তক প্রকাশ, মঞ্চে উপস্থিত গুণী মানুষজনদের তাঁদের কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ যথাযোগ্য সম্মান প্রদর্শন, বর্তমান সময়ের অন্যতম প্রধান গণমাধ্যম সামাজিক মাধ্যমের সম্পর্কে আলোচনা সহ নবীন প্রজন্মদের নিজেদের প্রতিভা বিকাশে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি ছিল প্রাক্তন পুলিশ অধিকর্তা শোভন তেওয়ারী, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব বিশ্বজ্যোতি ব্যানার্জী, সংবাদ প্রতিখনের প্রধান সম্পাদক স্বরূপম চক্রবর্তী, বিশিষ্ট কিউরেটর রেশমী চ্যাটার্জী সহ আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন ব্যক্তিত্ব ডঃ রুদ্ররূপ গুপ্ত।
লিটেরোমার অন্যতম প্রধান সাইবার বিশেষজ্ঞা ঋত্বিকা ব্যানার্জী ও সুদক্ষ ব্যবস্থাপনায় এবং তমাল মুখার্জী’র পরিশীলিত উপস্থাপনা ও সঞ্চালনায় স্বার্থক একটি অপরাহ্ন লাভ করলেন উপস্থিত সকল অভ্যাগতরা।

