খবর

ত্রিপুরায় স্কুলে তালা লাগিয়ে শিক্ষকের দল হাওয়া

hhhh.jpgত্রিপুরা থেকে শিবজ্যোতি মল্লিক: গত ১৩ই সেপ্টেম্বর সকালে পানিসাগর মহকুমার সাংবাদিকদের একটি প্রতিনিধি দল উক্ত মহকুমার প্রত্যন্ত অঞ্চল দামছড়া এ, ডি, সি, ভিলেজের অন্তর্গত এলাকার গন্ধিঠিলা জে, বি, স্কুলে যায়। গিয়ে স্কুলের দরজায় তালা লাগানো দেখতে পেয়ে তাঁরা পাশে থাকা অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের  হেল্পার এর সাথে কথা বলে জানতে পারেন প্রায় সাত-আট মিনিট পূর্বে বিদ্যালয়ের শিক্ষক নবিন্দু সিনহা স্কুল বন্ধ করে চলে যান। জানা যায় এটা রোজকার ঘটনা। প্রায়দিনই এই স্কুলের শিক্ষকরা এইভাবে স্কুল কামাই করে নিদিষ্ট সময়ের অনেক আগেই বাড়িতে চলে যান। যদিও বর্তমান রাজ্য সরকারের শিক্ষা দপ্তরের নুতন নির্দেশ অনুযায়ী জে, বি, স্কুল গুলি সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত খোলা রাখার কথা। কিন্তু বাস্তবের চিত্র আলাদা, পাশের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র টি খোলা থাকলেও জে, বি, স্কুল টি সম্পুর্ণ বন্ধ। এমনকি অফিস ঘরের দরজা বন্ধ থাকলেও জানালা সম্পুর্ন খোলা।

এলাকাবাসিদের অভিযোগ এই স্কুলে মোট তিনজন শিক্ষক রয়েছেন। ইনচার্জ হিসেবে রয়েছেন দামছড়া স্থানীয় এলাকার বাসিন্দা নবিন্দু সিনহা,  আগরতলার বাসিন্দা বিকাশ রঞ্জন দাস এবং দামছড়া স্থানীয় এলাকার বাসিন্দা রবীন্দ্র রিয়াং মহাশয়। এরমধ্যে নবিন্দু বাবু স্কুলে নিয়মিত আসলেও,  নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই স্কুল ছুটি দিয়ে বাড়িতে চলে যান। অন্যদিকে আগরতলার বাসিন্দা বিকাশবাবু বর্তমানে পানিসাগরের তাঁর ভাড়া বাড়িতেই থাকেন, মাঝে মধ্যে ইচ্ছে হলে স্কুলে সময় কাটাতে যান। এদের সাথে সামঞ্জস্য রেখে স্থানীয় আরেক গুনধর শিক্ষক রবীন্দ্র রিয়াং স্কুলের শিক্ষকতা ছেড়ে রাজনীতি নিয়ে ব্যস্ত। পার্টির কাজকর্মই এখন শেষ কথা। 1efab-9a4f02_51435a5163204d4c9eb67ab6f3a56a68mv2এলাকায় খবর, বিগত প্রায় কয়েক মাস যাবৎ রবীন্দ্র বাবু বিদ্যালয়ের সাথে কোন সম্পর্কই রাখেন নি। এই নিয়ে নাকি বার কয়েক ওনার বেতন পর্যন্ত বন্ধ করে রাখা হয়। এরপরও কোন এক অজ্ঞাত কারণে তিনি রীতিমত স্কুল কামাই করে চলেছেন। বর্তমানে স্কুলটির ছাএছাএীর সংখ্যা মোট ৩৮ জন। এর মধ্যে ১৮ জন ছাএ এবং ১৯ জন ছাত্রী রয়েছে। এই অচলাবস্থা দেখে সংবাদ প্রতিনিধিরা দামছড়া বিদ্যালয় পরিদর্শকের কার্যালয়ে বিদ্যালয় পরিদর্শক দিলীপ কুমার দেববর্মা কে সবিস্তারে বিষয়টি জানালে তিনিও ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।gorumara তবে নবিন্দু বাবু এবং বিকাশ বাবু অনিয়মিত হলেও বিদ্যালয়ে আসেন বলে স্বীকার করেন। তবে নিদ্দিষ্ট সময়ের মধ্যে স্কুল ছুটি দেওয়ায় ব্যাপারে তাঁর কিছু জানা নেই বলেও জানান। তিনি আরও যানান যে, এই স্কুলটির ব্যপারে অভিযোগ আছে বলেই তিনি নিজে কয়েকদিন আগে পর পর দুবার পরিদর্শন করেন। এরপরও এদের এই ধরনের আচরণে তিনি উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে উল্লেখ করেন। অন্যথায় এদের বিরুদ্ধে উপর মহলে ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দেন তিনি।

a243c-9a4f02_2e8f603055494c9a9c101bc7308762c1mv2

dade0-9a4f02_f45cceadc93a463d8fc254485d0b8a25mv2

9a4f02_2afa9dc21c6840f781c9711a60cb7e45~mv2.jpg

9a4f02_c22b1f22589e428f84758f157fb83212~mv2.jpg