খবর

কেন্দ্রীয় নীতির প্রতিবাদে ধরনায় ব্যাঙ্ক অফিসাররা

Bank-2.jpgনিজস্ব সংবাদদাতাঃ অল ইন্ডিয়া ব্যাঙ্ক অফিসার্স কনফেডারেশন এর ডাকে ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮ কলকাতার নেতাজি সুভাষ রোডের ট্রাফিক আইল্যান্ডে সারাদিন ব্যাপী ধরনায় উপস্থিত ছিলেন ৪০০র ওপরে ব্যাঙ্ক অফিসাররা। সারাদিনের এই ধরনা সর্বাত্মক বলে দাবি করলেন অল ইন্ডিয়া ব্যাংক অফিসার্স কনফেডারেশনের পক্ষে সম্পাদক সঞ্জয় দাস। ধরনার সমর্থনে সম্মিলিত মোর্চা ইউএফবিইউ’র আহ্বাহক সিদ্ধার্থ খান, এনবিইএফ এর পক্ষ থেকে সুদীপ্ত মল্লিক, রিট্রিরেস অ্যাসোশিয়েশন এর সর্বভারতীয় সম্পাদক সুপ্রীত সরকার সহ অন্যান্য সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শ্রী সঞ্জয় দাসের সঙ্গে বক্তব্য পেশ করেন এবং সবাই এক সুরে কেন্দ্রীয় সরকারের আর্থিক নীতির সমালোচনা করেন। শ্রী সঞ্জয় দাস বলেন যে মুদ্রা লোন, বিমুদ্রিকরণ, জনধান যোজনা, প্রধান মন্ত্রী আবাস যোজনা, অটল পেনশন যোজনা, উজ্জ্বলা যোজনা সহ অন্যান্য যোজনা কে সার্থক বানিয়েছিল এই ব্যাংক কর্মচারীরা, অথচ এই ব্যাংকের কর্মীদেরকেই আজ ভিক্ষা চাইতে হচ্ছে। তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা কে পদদলিত করে কেন্দ্রীয় সরকার তিনটি ব্যাংকের সংযুক্তিকরণ সহ অন্যান্য অনেক কর্মচারী তথা গ্রাহক বিরোধী নিয়ম চালু করছে। তিনি বলেন এর ফলে আগামীতে গ্রাহক পরিষেবা দুর্মূল্য হয়ে পড়বে। তিনি বলেন কেন্দ্রীয় সরকার এর দ্বারা সরকারী ব্যাংকগুলিকে বেসরকারি করণের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। উনি আরো বলেন যে ব্যাংকের পেনশন ব্যবস্থা খুবই খারাপ, তার পরিবর্তন দরকার, নতুনদের পুরোনো পেনশনের আওতাভুক্ত করাও দরকার। ব্যাংক সংযুক্তি হলে ছোট ছোট কৃষক, ছোট ব্যবসায়ীরা মার খাবেন। ব্যাংকের শাখা কমবে, কর্মী ছাটাই হবে গ্রাহক সেবা ব্যাহত হবে, বেকারত্ব বাড়বে। তিনি আগামী ২১ ০ ২৬ তারিখের ব্যাঙ্ক ধর্মঘটকে সফল করার জন্য উপস্থিত সকলকে অনুরোধ জানান। শ্রী শুভোজ্যোতি চট্টোপাধ্যায় বলেন আমরা গ্রাহকদের জন্যই চিন্তিত, কারণ ভারতবর্ষের অর্থব্যবস্থা সরকারি ব্যাংককেই ভর করে বেড়ে উঠেছে আর আজ সেই ব্যবস্থার অবস্থা সংকটজনক।(নিজস্ব চিত্র)bank

advt-vromonolife