মৃগনয়নী সন্মান ১৭-১৮

সারা ভারতে বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের তাঁত ও বস্ত্র সম্ভার শিল্প আজ সারা বিশ্বে সমাদৃত। এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত সকল শিল্পীরা তাদের অপরূপ শিল্পকলা সদাই তুলে ধরছেন সারা বিশ্বের দরবারে। আজও আমাদের এই বাংলার আনাচে-কানাচে সকলের অজ্ঞাতে বিশ্বের কাছে নিজেদের শিল্পকে তুলে ধরার প্রয়াসে নিরলস কাজ করে চলেছেন অনেক অনামি অথচ প্রতিভাবান শিল্পীর দল। মূলতঃ এই সকল প্রতিভাবান তাঁতশিল্পী ও বস্ত্র সম্ভার শিল্পীদের পাদ-প্রদীপের আলোয় নিয়ে আসতে ২০১৬ থেকে কলকাতার এফ ৩ ইনকরপোরেশন শুরু করেছেন “সন্মান” পুরস্কার। প্রকৃতপক্ষে এই সকল অনামি কিন্তু প্রতিভাবান শিল্পীরা প্রত্যেকে স্ব-স্ব ক্ষেত্রে উজ্জ্বল নক্ষত্র। তাদের শিল্পকলাকে জনসমক্ষে তুলে ধরতে এবং তাদের যথাযোগ্য সন্মান দিতেই তাদের এই “সন্মান” পুরস্কার বলে জানালেন এফ ৩ ইনকরপোরেশনের কর্ণধার রাজর্ষী দাস।

রাজর্ষী দাস ভ্রমণ ও লাইফকে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাত্‍কারে জানান তারা এই বছরে সারা বাংলার বিভিন্ন জেলায় গত জুলাই মাস থেকে এই সকল শিল্পীদের মধ্যে অডিশন নিয়ে হুগলী, বাঁকুড়া, বীরভূম, মেদিনীপুর পূর্ব, মেদিনীপুর পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিণ দুই ২৪ পরগণা, মালদা, মুর্শিদাবাদ ও কলকাতার মোট ১২ জন শিল্পীকে বাছাই করেছেন এবং এই ১২ জন শিল্পীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত করতে চলছেন মূল বাছাই পর্ব আগামী ১৮ অগাষ্ট, শনিবার কলকাতার কাকুড়গাছি উত্‍সব পেক্ষাগৃহে, যাদের মধ্যে ১০ জনই মহিলা শিল্পী। ভারত সরকারের সিল্ক মার্ট অর্গানাইজেশনের আন্তরিক সহযোগিতায় এই বছরের “মৃগনয়নী সন্মান ১৭-১৮” শীর্ষক অনুষ্ঠানে তারা সারা জীবনে অসামান্য কৃতিত্বের জন্য জীবনকৃতী সন্মানে ভূষিত করতে চলেছেন আদিবাসী চিত্রকলায় বিশেষ খ্যাতিসম্পন্ন ব্যক্তিত্ব ডঃ অঞ্জলি সেনগুপ্তকে। এছাড়াও বিশেষ পুরস্কারে ভূষিত করবেন প্রবীণ আলোকচিত্রকর সনত্‍ ঘোষ, বিশিষ্ট সাজসজ্জা শিল্পী অনিরুদ্ধ চাকলাদার ও বিশিষ্ট মডেল মাধবীলতা মিত্রকে। রাজর্ষী দাস আরও জানলেন তারা এই বছর এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত ৩ জন বিশিষ্ট উদ্যোগপতিদেরও বিশেষ সন্মান প্রদর্শন করছেন। এই ৩ জন হলেন হুগলী জেলার তমালী গর্গ, বাঁকুড়া জেলার অনিল খাঁ ও ওই জেলারই অন্যতম শিল্পী তথা উদ্যোগী অমিতাভ পাল। মূল বাছাই পর্বে এই সকল সন্মান প্রদর্শন ছাড়াও থাকছে ফ্যাশন শো’র অনুষ্ঠান।

error: Content is protected !!

Discover more from Sambad Pratikhan

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading