শক্তি বাড়িয়ে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় আগামীকাল রাতেই স্থলভূমিতে আছড়ে পড়তে চলেছে

77878u

নিজস্ব সংবাদদাতা: ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তরের জাতীয় আবহাওয়া পূর্বাভাস কেন্দ্রের তথ্যানুযায়ী আজ সকাল ৮টা ১০ মিনিটে জারি করা বিবৃতি অনুসারে আরব সাগরে সৃষ্ট সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় তাউতে গত ৬ ঘন্টা ধরে ঘন্টায় ১১ কিলোমিটার গতিবেগে উত্তর দিকে অগ্রসর হচ্ছে। আজ সকাল সাড়ে ৫টা নাগাদ এই ঘূর্ণিঝড়টির অবস্থান ছিল গোয়ার পাঞ্জিম থেকে ১৩০ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণ পশ্চিমে, মুম্বাই থেকে ৪৫০ কিলোমিটার দক্ষিণে, গুজরাটের ভেরাভাল থেকে ৭০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পূর্বে এবং পাকিস্তানের করাচি থেকে ৮৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে। আগামী ২৪ ঘন্টায় ঘূর্ণিঝড়টি আরও তীব্র আকার ধারণ করবে। এরপর সেটি উত্তর-উত্তর পশ্চিম অভিমুখে অগ্রসর হবে এবং আগামীকাল সন্ধে নাগাদ গুজরাট উপকূলের কাছাকাছি পৌঁছবে। পরদিন সকাল হওয়ার আগেই ঘূর্ণিঝড়টি ভাবনগর জেলার পোরবন্দর ও মাহুভার মধ্যদিয়ে স্থলভূমিতে প্রবেশ করবে। স্থলভূমিতে প্রবেশের সময় অতিপ্রবল রূপ ধারণকারী এই সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়টির ঘন্টায় গতিবেগ দাঁড়াবে ১৫০ থেকে ১৬০ কিলোমিটার। ক্ষেত্র বিশেষে ঘন্টায় গতিবেগ সর্বোচ্চ ১৭৫ কিলোমিটারে পৌঁছতে পারে। স্থলভূমিতে আছড়ে পড়ার পর ১৮ তারিখ বিকেল নাগাদ অতিপ্রবণ ঘূর্ণিঝড়টি শক্তি হারিয়ে ঘূর্ণিঝড়ের আকার ধারণ করবে। এসময় এই ঝড়ের গতিবেগ থাকবে ঘন্টায় ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটার এবং ক্ষেত্র বিশেষে তা ৯০ কিলোমিটারে পৌঁছতে পারে। এরপর, ১৯ তারিখ সকাল নাগাদ এই ঘূর্ণিঝড় নিম্নচাপের রূপ নিয়ে ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে বয়ে যাবে।

output_XelYeX
সামুদ্রিক এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে কেরালা, কর্ণাটক, কোঙ্কন ও গোয়া, গুজরাট ও রাজস্থানের বিভিন্ন এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি এবং বিক্ষিপ্ত ভাবে কিছু জায়গায় ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। সামুদ্রিক এই ঘূর্ণিঝড়ের ফলে আজ থেকে ১৮ তারিখ পর্যন্ত উত্তর-পূর্ব আন্দামান সাগর উত্তাল থাকবে। এজন্য মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। যে সমস্ত মৎস্যজীবী ইতিমধ্যেই মাছ ধরার জন্য উত্তর আরব সাগরে রয়েছেন, তাদের দ্রুত উপকূলে ফিরে আসার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

advt112-for-advt-sankha-senadvt-3149560606_1955498754590550_7537541499495602122_oadvt-1149274739_1955175504622875_8761804105952090197_oadvt-4advt-5gnc-advt-6x4-for-web output_XelYeX
সামুদ্রিক এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে কেরালা, কর্ণাটক, কোঙ্কন ও গোয়া, গুজরাট ও রাজস্থানের বিভিন্ন এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি এবং বিক্ষিপ্ত ভাবে কিছু জায়গায় ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। সামুদ্রিক এই ঘূর্ণিঝড়ের ফলে আজ থেকে ১৮ তারিখ পর্যন্ত উত্তর-পূর্ব আন্দামান সাগর উত্তাল থাকবে। এজন্য মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। যে সমস্ত মৎস্যজীবী ইতিমধ্যেই মাছ ধরার জন্য উত্তর আরব সাগরে রয়েছেন, তাদের দ্রুত উপকূলে ফিরে আসার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

error: Content is protected !!
Powered by Joinchat