Site icon Sambad Pratikhan

অনুদান না পাওয়া পুজো কমিটি গুলোর জন্য এগিয়ে এলেন স্থানীয় পুরসদস্য

Advertisements


নিজস্ব সংবাদদাতা
, হুগলি: তাঁর ওয়ার্ডে যে সকল পুজো কমিটি সরকারী অনুদান থেকে বঞ্চিত হয়েছেন সেই সকল পুজো কমিটিগুলোকে বৈদ্যবাটি পুরসভার ২০ নং ওয়ার্ডের পুরসদস্য হরিপদ পাল নিজের পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদান তুলে দিচ্ছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি জানলেন, তাঁর ওয়ার্ডে মোট বারোয়ারী পুজোর সংখ্যা ২৮টি। এর মধ্যে অর্ধেকের বেশি পুজো কমিটি সরকারী অনুদান পেয়েছেন। কিন্তু যে সকল পুজো কমিটি এই অনুদানের টাকা পান নি, তাঁদের মধ্যে কয়েকটি পুজো কমিটির হাতে বৈদ্যবাটি পুরসভার পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদান তুলে দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে তাঁর ওয়ার্ডের পুজো কমিটিগুলোর হাতে তিনি ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা পুজো অনুদান তুলে দিচ্ছেন বলে জানান।

এই পুরসভার ২৩টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২০ নং ওয়ার্ডের এই পুরসদস্য স্থানীয় সকলের ঘরের ছেলে, তিনি তাঁর ওয়ার্ডের মানুষদের জন্য সারা বছর ২৪ ঘণ্টা উপলব্ধ। ইতিমধ্যেই তিনি তাঁর ওয়ার্ডের মানুষদের সুবিধার জন্য চালু করেছেন অ্যাম্বুলেন্স, চালু করেছেন শববাহী যান।

বৈদ্যবাটি পুরসভার মধ্যে তাঁর ওয়ার্ড একমাত্র ওয়ার্ড যে ওয়ার্ডে কোনও ডেঙ্গু রোগীর দেখা মেলে নি, বলেও জানান হরিপদ পাল। ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে তাঁর টিম সদা তত্‍পর, ওয়ার্ডের সকল মানুষদের সচেতন করে তোলা ও ডেঙ্গু রোগের বাহক মশার বৃদ্ধি রুখতে সকল রকম ব্যবস্থা গ্রহণ করেই এই সাফল্য বলে তিনি জানান। শারদ উত্‍সবে এবার প্রাকৃতিক দুর্যোগের যে ভ্রূকুটি রয়েছে তাঁর হাত থেকে তাঁর ওয়ার্ডের মানুষদের সুবিধার জন্য তিনি ইতিমধ্যেই ওষুধ, ত্রিপলের ব্যবস্থা করে রেখেছেন, এর সঙ্গে সঙ্গে বেশি বৃষ্টিপাত হলে তাঁর ওয়ার্ডের যে সকল এলাকার মানুষদের বানভাসি অবস্থা হলে তাঁর পক্ষ থেকে অগ্রিম সকল ব্যবস্থা যেমন থাকার জন্য স্কুল বাড়ি, ওষুধ, খাবার ইত্যাদির ব্যবস্থা করে রেখেছেন।

আসন্ন শারদ উত্‍সব যেন প্রতিটা মানুষ সুন্দর ভাবে, আনন্দ করে কাটাতে পারেন তাঁর জন্য তিনি সকলকে আগাম শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, পুজো মানেই হলো মিলন, আর এই মিলন উত্‍সবে সকল ধর্মের উর্দ্ধে উঠে সকলে মিলে একাত্ম হয়ে দনুজদলনী মায়ের কাছে প্রার্থনা করুক সকল অন্ধকার দূর হয়ে যাক। তাঁর এলাকা ও বৈদ্যবাটি পুর এলাকার সকল নাগরিকবৃন্দকে তিনি শারদীয়ার আন্তরিক প্রীতি, শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানান। এর সঙ্গে সঙ্গে সকলের কাছের তিনি আবেদন রাখেন, পুজোর দিনগুলোতে এলাকায় শান্তি-শৃংখলা বজায় রাখার। এ ছাড়াও তাঁর ওয়ার্ডের অধিকাংশ এলাকায় প্রচুর ছোট ছোট গলি থাকার কারণে পুজোর সময় ছোট ছোট ভ্যানে জলের ব্যবস্থা করে রেখেছেন যেন উত্‍সবের সময় কোনও রকম অগ্নিকাণ্ডের হাত থেকে রক্ষা পাবার জন্য।

 

Exit mobile version