Site icon Sambad Pratikhan

বৈদ্যবাটীর মৃগাঙ্ক ও তার শিল্পকলা

Advertisements

জয়িতা সরকার, হুগলি: বৈদ্যবাটী এমন একটি প্রাচীন জনপদ, যেখানে  শিল্প-সাহিত্য- সংস্কৃতির চর্চা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। আজকাল মানুষ নবীন প্রজন্মকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে। কিন্তু সেই নেতিবাচক হতাশাকে কিছুক্ষণের জন্য একটু দূরে রেখে এদিক ওদিক তাকালেই দেখতে পাওয়া যাবে, বর্তমান যুগে তরুণ সম্প্রদায় শুভ চেতনায় যথেষ্ট উদ্বুদ্ধ। সৃজনশীলতায় মেতে রয়েছে নবীন প্রজন্ম,যার গভীরতা অনন্য। তাদের প্রশংসনীয় কাজকর্ম অবশ্যই মন ভরিয়ে দেবে সবার।

বাংলার দিকে দিকে বিভিন্ন শিশু- কিশোর- বালকের হস্তশিল্প মনোমুগ্ধকর। ইদানিং অনেক শিক্ষার্থীকে দুর্গা প্রভৃতি মূর্তি গড়ে চমকে দিতে দেখা গেছে।কিছুদিন আগে অষ্টম শ্রেণির ছাত্র বিশাল ঘোষ সপরিবারে দুর্গা মূর্তি সহ বিভিন্ন শিল্পকর্মের নিদর্শনের মাধ্যমে সবাইকে মুগ্ধ করেছে। মাননীয় কাশীনাথ বেরা ও মাধবী বেরার সন্তান মৃগাঙ্ক অনেক ছোটবেলা থেকেই শিল্পচর্চার প্রতি আকৃষ্ট। দুর্গামূর্তি ছাড়াও অনেকদিন আগে থেকেই ও জগদ্ধাত্রী মূর্তি, কালী মূর্তি প্রভৃতি তৈরি করেছে।

সদ্য বৈদ্যবাটী বনমালী মুখার্জী ইনস্টিটিউশনে একাদশ শ্রেণিতে,  বিজ্ঞান বিভাগে পাঠরত মৃগাঙ্কের তৈরি একটি দুর্গামূর্তির সন্ধান পেলাম। জানতাম,ও শিল্পচেতনায় পরিপূর্ণ এক বালক। পড়াশোনার পাশাপাশি ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলো, নাট্যচর্চা, চিত্রাঙ্কন, বিভিন্ন মূর্তি তৈরিতে মেতে থাকে ও। হৃদয় জাত শিল্পচেতনা অনুপ্রেরণা দেয় তাকে বরাবর। কলুপাড়া, গোবিন্দ মুখার্জী লেন, ১৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ওরা। মাটি,  খড়, কাপড়,  রং ইত্যাদি দিয়ে ওর গড়া প্রতিমা পার্শ্ববর্তী শক্তিসঙ্ঘে দুর্গামন্ডপে মর্যাদার সঙ্গে ঠাঁই পেয়েছে।

Exit mobile version