এর সঙ্গে সঙ্গে তিনি ঘোষণা করেছেন তিনি সমগ্র পশ্চিমবঙ্গবাসীকে বিনামূল্যে করোনার ভ্যাকসিন দিতে বদ্ধপরিকর। এবারের ভোটে যে কথাটি সবথেকে বেশি আলোচিত ছিল সেটি হলো “খেলা হবে”, এবং প্রকৃতপক্ষে খেলাই হলো এই রাজ্যের এবারের বিধানসভা ভোটে একথা বলাই যায়, এবং যে খেলায় জিত্ হল দেশের অন্যতম মোদী বিরোধী মুখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একথা বলাই বাহুল্য। ভোটের প্রচারে এবার পশ্চিমবঙ্গে দেশের প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সহ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সহ বিজেপির তাবড় তাবড় নেতাদের আগমনে সারা দেশ তথা বিদেশের সংবাদ মাধ্যমের নজর ছিল বঙ্গ রাজনীতির দিকে। যদিও এইবার পশ্চিমবঙ্গ সহ তামিলনাডু, কেরল, অসম, পুদুচেরী দেশের আরও চারটি রাজ্যের সাধারণ নির্বাচন থাকলেও বাংলা দখলের লড়াইতে মেতে উঠেছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। তার সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন জনগণের জন্য কাজ করতে চাওয়া তৃণমূল কংগ্রেসের একঝাঁক নেত্রা মন্ত্রীর দল, যাঁরা নির্বাচনের আগে রীতিমত ঘোষণা করে দলত্যাগ করেছিলেন জনগণের জন্য কাজ করতে মনোবাঞ্ছা প্রকাশ করে। যদিও নির্বাচনের ফল কিন্তু অন্য ছবি তুলে ধরলো সারা দেশের কাছে, প্রায় প্রত্যেকদিন দিল্লি থেকে বিজেপির নেতাদের বঙ্গে আগমন ও রাজ্যের তৃণমূল কংগ্রেসকে পরাস্ত করতে ও বাংলার মানুষকে নতুন করে সংস্কৃতি শেখাতে গিয়ে এবং দলত্যাগী তৃণমূলীদের নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে নিজেরেয়াই মুখ থুবড়ে পড়লেন এই মূহুর্তে ভারতের সর্ববৃহত্ রাজনৈতিক দল বলে দাবি করা বিজেপি।
\
