Site icon Sambad Pratikhan

আন্তর্জাতিক জলদস্যু জনাব গ্যাং এর মূল পান্ডা গ্রেফতার

Advertisements

সৌমাভ মণ্ডল, উত্তর ২৪ পরগণা: বসিরহাট মহকুমার বসিরহাট থানার ধলতিথা গ্রামে নাম গোপন করে লুকিয়ে ছিল বাংলাদেশি জলদস্যু জনাব বাইন। বসিরহাটের সুন্দরবনের হেমনগর কোস্টাল থানা গত ২ মাস আগে ফারুক মোল্লা ও ইউসুফ মোল্লা নামক দুই জলদস্যুকে গ্রেপ্তার করার পর চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে। সুন্দরবনের কালিন্দী, রায়মঙ্গল ও গৌড়েশ্বর সহ একাধিক নদীতে মৎস্যজীবীদের নৌকা লুঠপাট, মারধর এমনকি অপহরণ করে মুক্তিপণ চাইত এই দুষ্কৃতীরা। শেষ অপহরণের পর মুক্তিপণ বাবদ সাত লক্ষ টাকার মুক্তিপণ পেয়েছিল তারা। এর পিছনে ছিল আন্তর্জাতিক জলদস্যুর মূল মাথা বাংলাদেশের জনাব। তারই নেতৃত্বে ভারত বাংলাদেশের সীমান্তের নদীগুলোতে জলদস্যুরা মৎস্যজীবীদের উপর লাগাতার হামলা চালাত। জনাবের মোবাইল ফোন ট্র্যাক করে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ থানার পুলিশ আধিকারিকরা জানতে পারে জনাব বসিরহাটের কোনো জায়গায় গা ঢাকা দিয়ে আছে। তারা বসিরহাট পুলিশ জেলার আধিকারিকদের সাথে যোগাযোগ করে। এই জলদস্যুর বাড়ি বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলায়। বসিরহাট পুলিশ জেলার আধিকারিকরা জানতে পারে জনাব বাংলাদেশি জলদস্যু ও ভারতীয় জলদস্যুদের নিয়ে যৌথ ভাবে তৈরি করেছে জনাব বাহিনী বা গ্যাং। যেটা আন্তর্জাতিক মহলে জনাব গ্যাং বলে পরিচিত। এদিন বসিরহাট থানার পুলিশ তথ্য সম্পূর্ণ গোপন রেখে বসিরহাট শহরের অনতিদূর ধলতিথা গ্রাম থেকে জনাব বাহিনীর মূল পান্ডা  জনাব বাইনকে গ্রেফতার করে। তাকে বসিরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হলে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারিক। এর সাথে আন্তর্জাতিক অন্য কোনো জঙ্গি গোষ্ঠীর যোগ আছে কিনা সেটাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। পাশাপাশি এই জনাব বাহিনীর আরো জলদস্যুদের খোঁজ চালাচ্ছে বসিরহাট পুলিশ জেলা।

Exit mobile version