বুধবার মাধ্যমিকের ফল বের হতেই জানা যায় মনিরা এবছর মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ হয়েছে। খুশির খবর গ্রামে পৌঁছাতেই উৎসবের চেহারা নিয়েছে। গ্রামের প্রতিটি মানুষের কাছে নতুন আলোর দিশারী মনিরা। পাশাপাশি শিক্ষক-শিক্ষিকাদেরও গর্বে বুক ভরে উঠছে। স্কুলের শিক্ষক তরিকুল আলম মোল্লা বলেন, আমরা ওর পড়াশোনার ব্যাপারে সব রকম সহযোগিতা করবো। আরো পাঁচটা ছাত্র-ছাত্রী যাতে এগিয়ে আসে তার সবরকম ব্যবস্থা আমরা করবো। সরকার যেন ওর পাশে থাকে। এই রকম একটি হতদরিদ্র পরিবারের মেয়ে জীবন যুদ্ধে জয়ী হওয়ায় অন্য ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো। মনিরার স্বপ্ন শিক্ষিকা হওয়ার। আরো বেশি পড়াশোনা করে সমাজে শিক্ষার আলো পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর সে। আর পাঁচটা বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষ তাকে দেখে যেন এগিয়ে আসে। তারা যেন নিজেদের অসহায় ও সমাজের অচ্যুত মনে না করেন। মা আখলিমা জানান, জন্ম থেকেই মনিরার পাশাপাশি তাদের ছেলে আশিকুল মোল্লা শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী। শিক্ষার লড়াইয়ে দিদি ও ভাইয়ের লড়াই নতুন স্বপ্ন দেখাচ্ছে ভ্যানচালক পরিবারকে।
দু’ফুট উচ্চতাকে পার করে আকাশ ছুঁলো মনিরা, স্বপ্ন শিক্ষিকা হওয়ার
Advertisements
