খবর

সামাজিক দূরত্ব ও সরকারী বিধিনিষেধ ও নিয়ম মেনে কবিকে স্মরণ

dankuniদেবদুলাল দাস, হুগলি: ‘হে নূতন, দেখা দিক আর-বার জন্মের প্রথম শুভক্ষণ…’ এই মূহুর্তে আমরা সকলেই এই কামনায়, আমাদের প্রাণের প্রিয় এই ধরার বুক থেকে করোনা নামক মহামারি দূর হয়ে নতুন প্রভাত আমাদের সামনে উদ্ভাসিত হোক।  আর এই মূহুর্তে আমরা অতিবাহিত করছি রবীন্দ্র জন্মমাস, গতকালই আমরা পালন করেছি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৯ তম জন্মবার্ষিকী, তবে গঙ্গাজলে গঙ্গাপুজোর এই দিনটিকে এই বছর আমরা আমাদের মনের মত করে সকলে মিলে একাত্ম হয়ে পালন করতে কিছুটা হলেও অপারগ, কারণ  আমাদের কারোরই অজানা নয়। আমাদের প্রাণের কবি, অন্তরের কবির জন্মদিন, আর আমরা তা আমাদের মত করে পালন করব না তা কী হয়? কারণ ২৫ বৈশাখ সর্বদাই চির নতুঙকে আহ্বান করে। তাইতো আমরা অর্থাত্‍ আপামর বাঙালি নিজেদের মত করে এই সময়ের সকল রকম সরকারী বিধি-নিষেধ মেনেই ব্রতী হয়েছিলাম কবিগুরুকে স্মরণ করতে।

এই রকম এক অনুষ্ঠান পরিবেশন করলেন হুগলি জেলার ডানকুনি সরকারী আবাসনে ডানকুনি আনন্দ নিকেতনের সকল সভ্য-সভ্যাবৃন্দ গতকাল সন্ধ্যায় ডানকুনি সরকারী আবাসন সভাগৃহে। রীতিমত এইসময়ের সকল প্রকার সরকারী বিধি-নিষেধ মেনে পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রেখে অনন্য সুন্দর এক সন্ধ্যা উপহারে দিল আনন্দ নিকেতন। কবিগুরুকে স্মরণের এই সান্ধ্য অনুষ্ঠানে আনন্দ নিকেতনের পক্ষে রবীঠাকুরের গান, কবিতা ও কথার মালায় অনুষ্ঠান সাজিয়েছিলেন ঝুলন চক্রবর্তী, রঞ্জিত শর্মা, মিতালী দাস, গৌতম হালদার, অরিজিতা মুখার্জী সাহা সহ অনংডনিকেতনের একঝাঁক সংস্কৃতিপ্রিয় মানুষেরা। এই অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে আনন্দ নিকেতনের প্রধান কর্ণধার ডানকুনি পৌরসভার উপ-পৌরপ্রধান দেবাশীষ মুখোপাধ্যায় জানান, করোনার  করাল গ্রাসে পৃথিবীর এই টালমাটাল অবস্থায় মানুষের মনকে শক্ত করতে ও মানসিক সাহস যোগাতে যে মানুষটির গান, কবিতা, কথা আমাদের জীবনে এই মূহুর্তে সবথেকে বেশি দরকারী, তিনি রবীন্দ্রনাথ।

উল্লেক্ষ্য এই বছর কবিগুরুর জন্মদিনকে স্মরণীয় করে রাখতে আনন্দ নিকেতনের পক্ষ থেকে গতকাল সকালে এই সময়ে রবীন্দ্র আবহে মানুষকে সচেতন করে তুলতে দেবাশীষ মুখোপাধ্যায়ের পরিকল্পনায় একটি সুসজ্জ্বিত ট্যাবলো ডানকুনি শহর পরিক্রমা করে।