দেশের জন্য নিজের জীবন বিপন্ন করে দেশকে রক্ষা করতে যাবার যে পুরস্কার তিনি পেয়েছেন তার জন্য আজ কতজন তাঁকে মনে রেখেছে! তিনি কি জানতেন সাক্ষাত্ মৃত্যুর দোরগোড়া থেকে ফিরে আসা তাঁর জন্য কেউ মালা আর চন্দন নিয়ে অপেক্ষা করে থাকবে না বা আগামী প্রজন্ম তাঁকে মনেও রাখবে না কোনদিন। হয়তো বা সামান্য কিছু অতি উত্সাহী মানুষ তাঁদের নিজেদের প্রয়োজনে তাঁকে নিয়ে কিছুদিন নিজেরা সংবাদের শিরোনামে আসার জন্য কিছু লোকদেখানো কার্যকলাপ করবেন, কিছু বড় বড় বুলি কপচাবেন, কবির ভাষায় বলা যায়, “কত প্রশংসা, কত কবিতা…..দেশপ্রেমিক, ত্যাগীবীর…টেবিল ভেঙে ফেলবে থাপ্পড় মেরে বক্তার পর বক্তা।” অথচ সেই সামর্থ্যহীন বাতিওলার মত নিগমপ্রিয় আজও নিজের মনের কোণে দুঃসহ অন্ধকার নিয়ে গুমরে চলেছে। আজ যখন আবারও আমাদের দেশের বীর সেনাদলের উপর একই ভাবে জঙ্গি হানা ঘটলো তাতে একথা অনস্বীকার্য যারা নিজেদের জীবন বিপন্ন করে আমাদের আমজনতার জীবন রক্ষায় সদা সচেষ্ট, তাঁদের নিজেদের জীবন কতটা সুরক্ষিত? নিজের জীবনকে বাজি রাখা নিগমপ্রিয় আজও শিউরে ওঠেন সেই ঘটনার কথা চিন্তা করে। এভাবে কতদিন আমাদের দেশের বীর সন্তানদের আমরা স্বাভাবিক জীবন-যাপন থেকে বঞ্চিত করে রাখবো? (নিজস্ব চিত্র)
বিশেষ প্রতিবেদনঃ সীমান্তের প্রহরী নিগমপ্রিয়

Advertisements
