Site icon Sambad Pratikhan

তাঁদের লড়াই জারী থাকবে জনবিরোধী এই নীতির বিরুদ্ধে

Advertisements

নিজস্ব সংবাদদাতা: কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যাঙ্ক বেসরকারীকরণের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই সরব সকল ব্যাঙ্ক কর্মচারীদের সংগঠন গুলি। সররা দেরসে এই নিয়ে এই মূহুর্তে রীতিমত উত্তেজনার পারদ ক্রমশই উর্দ্ধগামী। আজ থেকে ৫২ বছর আগে যে সকল ব্যাঙ্ককে সেই সময়ের কেন্দ্রীয় সরকার সরকারীকরণ করে দেশের আপামর জনসাধারণের টাকাকে সুরক্ষিত করেছিল, আর ঠিক ৫২ বছর পর এই দেশের বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকার চাইছেন দেশের সবকটি সরকারী ব্যাঙ্ককে বেসরকারী করতে। এই বিষয়ে সম্প্রতি ভারত সরকারের অর্থ সচিব টি ভি সোমনাথন  মন্তব্য করেছেন একটা নয় দুটি নয় সবকটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ককেই বেসরকারীকরণ করা হবে, আর এই ঘোষণা আগুনে ঘি দিয়ে দেওয়ার সামিল। অল ইন্ডিয়া ব্যাংক অফিসার্স  কনফেডারেশণের পশ্চিমবঙ্গ শাখার সম্পাদক সঞ্জয় দাস  এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই কথাগুলি জানাচ্ছিলেন। তিনি ও তাঁদের সংগঠন চিন্তিত ভারতবর্ষের সরকারী ব্যাঙ্কের আগামী ভবিষ্যত্‍ সম্পর্কে।

তিনি বলেন এইভাবে সারা দেশের সরকারী ব্যাংকগুলকে বেসরকারী হিসাবে ঘোষণা করলে আগামীতে গ্রামীণ শাখাগুলি বন্ধ হয়ে যাবে এবং ব্যাংকগুলি আগের মতো শহরমুখী হবে। এছাড়াও সুদের মূল্য নির্ধারণে একচেটিয়া ব্যবস্থা থাকবে।সাধারণ জনগণ, প্রবীণ নাগরিক এবং পেনশনভোগীরা কম সুদ পাবে।  সার্ভিস চার্জ বাড়বে।  কৃষিতে সুদের ছাড় পাওয়া যাবে না। ক্ষুদ্র কৃষক, ছোট ব্যবসায়ী, বেকার যুবক, মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠী গুরুতর সমস্যার সম্মুখীন হবে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি  ব্যবসায়ীরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ঋণ পাবেন না। পডুয়াদের এডুকেশন লোন পেতে অসুবিধা হবে। বৃহত্তর পুঁজিপতিদের আরও বেশী লোন দেওয়া এবং টাকা পরিশোধ না করা সত্ত্বেও তাকে ছাড় দেওয়া, যা বর্তমানে চলছে, যা ভবিষ্যতে আরো বাড়বে। ব্যাংকের শাখা কমে যাওয়ার জন্য গ্রাহক পরিষেবা ব্যাহত হবে। অনেক শিক্ষিত যুবক বেকার হবে এবং বেকারত্বের হার বৃদ্ধি পাবে  এবং আমানত কারীদের অর্থ নিরাপদ হবে না কারণ সরকারি গ্যারান্টি থাকবে না। সঞ্জয় বাবু বলেন “সরকারি ব্যাংক বাঁচাও দেশ বাঁচাও” এই স্লোগানকে হাতিয়ার করে তাঁর সারা দেশে জোরদার আন্দোলোন চালিয়ে যাবেন, এবং যা ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে।

Exit mobile version