রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে রাজ্যপালের দ্বারস্থ বেঙ্গল ইন্টেলেক্টুয়াল সোসাইটি

IMG-20190912-WA0010.jpgসঞ্জয় মুখোপাধ্যায়, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের সার্বিক শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে অভিযোগ জমা দিলেন অগ্নিমিত্রা পলের নেতৃত্বে বেঙ্গল ইন্টেলেক্টুয়াল সোসাইটি’র সদস্যরা। এই বিষয়ে অগ্নিমিত্রা পল জানান তাঁরা পশ্চিমবঙ্গের মাননীয়  রাজ্যপালের সঙ্গে এই রাজ্যের শিক্ষা ক্ষেত্রে চলা বিভিন্ন দুর্নীতিগুলি নিয়ে আলোচনা করেন। অগ্নিমিত্রা বলেন তাঁরা মূলত এই রাজ্যে টেট ও সেট পরীক্ষায় যে বিশাল দুর্নীতি চলছে তার সম্পর্কে রাজ্যপালকে বিস্তারিত অবহিত করেন। তিনি বলেন এই রাজ্যের বর্তমান শাসক দলের নির্দেশে ৫ থেকে ১০ লক্ষ টাকা ঘুষের বিনিময়ে অযোগ্য লোকের দল পরীক্ষা না দিয়েই টেট এ সুযোগ পেয়ে যাচ্ছে, একই অবস্থা সেট পরীক্ষার ক্ষেত্রে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি বলেন এই সকল ব্যক্তি যাদের কোনও রকম যোগত্যা নেই ওই সকল পদে বসার তাঁরা শুধুমাত্র রাজ্যের শাসক দলকে মোট অঙ্কের উপঢৌকন দিয়ে যায়গা করে নিচ্ছেন এবং আগামীর ভবিষ্যত্‍কে নষ্ট করছেন। 1efab-9a4f02_51435a5163204d4c9eb67ab6f3a56a68mv2অগ্নিমিত্রা আরও বলেন তাঁরা রাজ্যপালের কাছে দাবি রেখেছেন এই রাজ্যের অধিকাংশ স্কুল-কলেজে চলতে থাকা ভায়োলেন্স অবিলম্বে বন্ধ করে রাজ্য থেকে হারিয়ে যাওয়া পড়াশোনার সুস্থ পরিবেশ ফেরানোর। তাঁদের অন্যান্য দাবিগুলির মধ্যে ছিল রাজ্যের শিক্ষা ক্ষেত্রে রাজ্যপালের প্রতিনিধি নির্বাচন নিয়েও যে দুর্নীতি চলছে তা নিয়েও, এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন এই রাজ্যের শাসক দল শিক্ষা ক্ষেত্রে যে অচলাবস্থা চালু করেছে তার আর একটি উদাহরণ হচ্ছে রাজ্যপালের প্রতিনিধি ঠিক করা, এক্ষেত্রে উপযুক্ত যোগত্যা না থাকা স্বত্বেও শুধুমাত্র শাসক দলের ছত্রছায়ায় থাকা ব্যক্তিকে নির্বাচিত করা হয় রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থায় রাজ্যপালের প্রতিনিধি হিসাবে। 3b749-9a4f02_0a1a6303df76450fb31ff36c7368e2a1mv2এদিন সাংবাদিকদের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে অগ্নিমিত্রা উষ্মা প্রকাশ করেন এই রাজ্যের স্কুলগুলির মিড ডে মিল নিয়ে ও শিক্ষক দিবসের দিন রাজ্য সরকারের দেওয়া শিক্ষারত্ন পুরস্কার নিয়েও। অগ্নিমিত্রা বলেন এই রাজ্যের স্কুলগুলিতে শিশুদের মিড ডে মিলে শুধু মাত্র নুন ভাত দেওয়া হয় কোথাও কোথাও, অপর দিকে তিনি দাবি করেন রাজ্যের শাসক দলের ধ্বজাধারী হলেই পাওয়া যাচ্ছে শিক্ষারত্ন সম্মান, যোগত্যা না থাকলেও।  (নিজস্ব চিত্র)

92a03-9a4f02_3b93dab5c7d14f67afae52ceac3ab2d5mv209828-9a4f02_2afa9dc21c6840f781c9711a60cb7e45mv2

294a8-9a4f02_f45cceadc93a463d8fc254485d0b8a25mv2

a243c-9a4f02_2e8f603055494c9a9c101bc7308762c1mv2

9a4f02_c22b1f22589e428f84758f157fb83212~mv2.jpg

error: Content is protected !!

Discover more from Sambad Pratikhan

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading